Press Release 03-02-2019

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

চট্টগ্রাম।

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে চসিকের বর্ণাঢ্য র‌্যালী

নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনে নগরবাসীকে

সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান মেয়রের

চট্টগ্রাম - ফেব্রæয়ারি-২০১৯ ইংরেজী।

বর্তমান ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুস্বাস্থ্য, সবল কর্মক্ষম করে গড়ে তুলতে পুষ্টিকর নিরাপদ খাবার নিশ্চিতকরণে নিরাপদ খাদ্য আন্দোলনে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহŸান জানান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন। তিনি আজ রবিবার সকালে ডিসি হিল নজরুল স্কোয়ার জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস-২০১৯ উপলক্ষে চসিক আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রামের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সভায় ক্যাবের সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে  চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যে মধ্যে চসিক সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব মফিদুল আলম, প্রাণী সম্পাদক কর্মকর্তা ডা. জাকিয়া খাতুন, ভোক্তা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. হাসানুজ্জামান, ক্যাব এর বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল বাহার সাবেরী, চট্টগ্রাম মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম তৌহিদুল ইসলাম, ক্যাব নেতা  মোহাম্মদ আবদুল মান্নান, অজয় মিত্র শাংকু, মোহাম্মদ জানে আলম, শাহীন চৌধুরী, ফয়সল আদনান, হারুন গফুর ভূইয়া, আবু ইউনুছ, কে এম মহিরুজ্জামান, আলহাজ্ব মো. আবু তাহের, উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, অর্থনৈতিক প্রযুক্তি সামাজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল একটি সুখী, সমৃদ্ধ, ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ে তোলার। বঙ্গবন্ধুর  সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে একটি সুস্থ সবল, মেধাবী কর্মক্ষম জাতি গড়ার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অনেক সফলতা আছে। তার মধ্যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন অন্যতম। কিন্তু এই খাদ্য হতে হবে অবশ্যই পুষ্টিকর নিরাপদ। তারই আলোকে বর্তমান সরকার নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ প্রণয়ন করেছে। স্বাস্থ্যসম্মত, মানসম্পন্ন ভেজাল দুষনমুক্ত নিরাপদ পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করাই এই আইনের উদ্দেশ্য। এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, একটি সুস্থ সবল জাতির জন্য পুষ্ঠিসম্মত নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নেই। জন্য নিরাপদ খাদ্য মানুষে কাছে পৌঁছাতে সরকার কাজ করছে। সরকারী উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের মানুষকে সচেতন হতে হবে। তা হলেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হবে মেয়র আরো বলেন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে ২০২১ সাল মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। জন্য আমাদের প্রয়োজন সুস্থ জীবন সুস্থ সবল ভবিষ্যত প্রজন্ম। নিরাপদ পুষ্টিকর টেকসই খাদ্যের কোনে বিকল্প নেই। নিরাপদ খাদ্য কর্মসূচিকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত কথা উল্লেখ করে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সচেতন করে তোলার জন্য নগরীর ৪১টি  ওয়ার্ডে এলাকার জনসাধারণ কাউন্সিলদের সমন্বয়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষনা করেন মেয়র। এতে প্রতিটি ওয়ার্ডে সভা-সমাবেশ,ভিডিও প্রদর্শনী,সিম্পুসিয়াম,প্রচার-পত্র বিলিসহ বিভিন্ন কর্মসুচি রয়েছে। তিনি বলেন, এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধতা নয়। নগরব্যাপি কিভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে দেওয়া যায় সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের পরার্মশ দেন মেয়র। মেয়র আরো বলেন আমাদের সকলের দায়িত্ব সামাজিক দায়বদ্ধতা আছে। আসুন আমরা খাদ্যে ভেজাল,ভেজাল মিশ্রনকারী,খাদ্য আমদানিকারক অসাধু ব্যবসায়ীদের বাজারজাতকৃত খাদ্য-পন্য ক্রয়ে সর্তক হই এবং তাদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করি। প্রসঙ্গে তিনি বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ক্যাব যৌথ উদ্যোগে নগরী হাটবাজার গুলোতে ভেজাল বিরোধী অভিযান আরো জোরদার করা হবে নোংরা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরী করা বিক্রয় করা যাবে না। ভেজাল পন্য বিক্রি,ওজনে কারচুপি,অতিরিক্ত মুল্য আদায়সহ ভোক্তার অধিকার ক্ষুন্ন হলেই আইনানুযায়ী শাস্তি দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্টদের সর্তক করে দেন মেয়র। তিনি বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এরপুর্বে নিরাপদ খাদ্য দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন চত্বরে বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী উদ্বোধন করলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন। বিভিন্ন রঙ-বেরঙের ব্যানার, ফেষ্টুন প্লে-কার্ডে সজ্জিত র‌্যালীটি সিটি মেয়রের নেতৃত্বে সিটি কর্পোরেশন চত্বর থেকে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পদক্ষিন শেষে ডিসি হিলে এসে শেষ হয়। এই র‌্যালিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা কর্মচারী, শিক্ষক প্রতিনিধি,ক্যাব,ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং চসিক পরিচালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করে। 

 

অমর একুশে বই  মেলার বিভিন্ন

উপ পরিষদের সাথে মতবিনিময়

 

চট্টগ্রাম - ফেব্রæয়ারি-২০১৯ ইংরেজী।

আগামী ১০ ফেব্রæয়ারি রোবাবার থেকে  চট্টগ্রাম এম আজিজ সংলগ্ন জিমনেশিয়াম মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০ দিন ব্যাপী অমর একুশে বইমেলা ২০১৯। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে সম্মিলিত উদ্যোগে অমর একুশে বই মেলার উদ্বোধন করবেন মাননীয় সিটি মেয়র আলহাজ্ব নাছর উদ্দীন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন মাননীয় তথ্যমন্ত্রী . হাসান মাহমুদ এমপি। উপলক্ষে ফেব্রæয়ারি রোববার বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সম্মেলন কক্ষে মেলার বিভিন্ন উপ পরিষদের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠি হয়। বইমেলা কমিটির আহবায়ক চসিক শিক্ষা স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউককের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন মেলা কমিটির সমন্বয়ক চসিক উপ সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু,  মেলার ব্যবস্থাপনা স্টল উপ কমিটির আহবায়ক  বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু সাঈদ সরদার, মেলার যুগ্ম আহবায়ক করা হয়েছে চট্টগ্রাম সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু, যুগ্ম সম্পাদক সৃজনশীল প্রকাশক পষিদের সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন, সাংস্কৃতিক উপ পরিষদের আহবায়ক দেওয়ান মাকসুদ আহমেদ, সদস্য সচিব চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু, সেমিনার আলোচনা সভার উপ পরিষদের আহবায়ক কবি মুসফিক হোসাইন, প্রকাশন উপ পরিষদের সদস্য সচিব কবি ইউসুফ মুহম্মদ, প্রচার উপ পরিষদের সদস্য সচিব সাংবাদিক আরিফ রায়হান, নৃত্য শিল্পী শুভ্রা সেনগুপ্তা, লেখক লোকমানুল আলম, কবি আলি মনসুর, কবি আইউব সৈয়দ, প্রকাশক আলী প্রয়াস, লেখক উপস্থাপক দিলরুবা খানম, শিশু সাহিত্যিক রমজান আলী মামুন, প্রকাশক মঈন ফারুক, দৃষ্টি চট্টগ্রামের সভাপতি মাসুদ বকুল, নাট্যকর্মী বিটু ভোমিক, প্রকাশক রুহু রুহেল, আপ্যায়ক উপ কমিটির সদস্য সাইফ মো. মাঈনুল হাসান, দপ্তর কমিটির সদস্য সচিব আলমগীর শিপন, সদস্য আনিস সুজন, আরিফ চৌধুরী, সাংস্কৃতিক উপ পরিষদের সদস্য নজরুল ইসলাম মোস্তাফিজ, কালধারা প্রকাশনী মো. নাফিস সাদেকিন, প্রকাশক মো. নুরুল আবসার, মো. শাহিন প্রমুখ। 

 

সংবাদদাতা

রফিকুল ইসলাম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন