Press Release 04-11-2017


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ৪ নভেম্বরর ২০১৭খ্রি.

পরীক্ষা কমিটির সভায়--- সিটি মেয়র

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্বার্থে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বিনিময়ে মানসম্মত শিক্ষা ও উন্নত ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে। মেয়র বলেন, শিক্ষকদের শতভাগ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা থাকলেই ভাল ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। তিনি চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষকদেরকে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সুখ্যাতি অটুট রাখার আহ্বান জানান। ৪ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. শনিবার, সকালে মেয়রের বাসভবনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পরীক্ষা কমিটির সভায় তিনি এ আহবান জানান। সভায় চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমান, পরীক্ষা কমিটির সদস্য মো. আবুল হোসেন, সুকুমার দেবনাথ, কমলেস ধর, জালাল আহমেদ ও মোহাম্মদ হোসেন সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। ২০১৭ সনে চসিক পরিচালিত ৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষায় ৬ হাজার ৩ শত ৬ জন শিক্ষার্থী অংশ গ্রহন করে।

 

চট্টগ্রাম- ৪ নভেম্বরর ২০১৭খ্রি.

নগরীর সাগরিকা রোডে ৬৪ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিনার সড়কে

স্থাপিত ৯৮টি এলইডি সড়কবাতি উদ্বোধন করলেন- মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, নগরীর ১১ হাজার ৪৬ কিলোমিটার সড়কে এলইডি লাইটিং করা হবে। এ লক্ষে আজ সাগরিকা রোডে ৬৪ লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ১ কিলোমিনার সড়কে স্থাপিত ৯৮টি এলইডি সড়কবাতির উদ্বোধন করা হলো। তিনি বলেন, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব অর্থায়নে ৪৯ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে কাজীর দেউরী হইতে ইস্পাহানী হয়ে টাইগার পাস পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়কে ১০০টি এলইডি বাতি স্থাপন করা হয়েছে। চলতি অর্থ বছরে কাজীর দেউরী হইতে নিউমার্কেট ২ কিলোমিটার সড়কে ১১৮টি, টাইগার পাস হইতে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার সড়কে ১৬৪টি এলইডি বাতি স্থাপনের কার্যক্রম চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে চলমান রয়েছে। এই ৭ কিলোমিটার সড়কে ২৮২টি এলইডি বাতি স্থাপনে ২ কোটি ১৩ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা ব্যয় হবে। এ ছাড়াও নগরীর আন্দরকিল্লা হইতে কোতোয়ালী মোড় পর্যন্ত ১.২ কিলোমিটার সড়কে ৮২টি বাতি, কে সি দে রোডে ০.৯ কিলোমিটার সড়কে ৬০টি বাতি এবং সিনেমা প্যালেস এলাকায় ১কিলোমিটার সড়কে ৬৭টি বাতি স্থাপনে ১ কোটি ৭৭ লক্ষ ৮২ হাজার ২০৩ টাকার কার্যাদেশ প্রদান করা হয়েছে। মেয়র বলেন, চসিকের নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৫-১৬ অর্থ বছর এবং ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ১২.০১ কিলোমিটার সড়কে ৬ শত ৮৯টি এলইডি বাতি স্থাপনে ৪ কোটি ৬৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬০৩ টাকা ব্যয়িত হবে। নগরবাসীকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করার লক্ষে সেবার অংশ হিসেবে এলইডি লাইটিং কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন আরো বলেন, এ কে খান থেকে নিমতলা বিমান চত্বর পর্যন্ত পোর্টকানেটিং সড়ক এবং আগ্রাবাদ এক্সেস রোড উন্নয়নে ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে। এ প্রকল্পে ১০৩ কোটি টাকা ব্যয় হবে। উভয় সড়কের নিচু জায়গা উচু করা হবে। রাস্তার দুপাশে বড় আকারের নালা নির্মাণ করা হবে। মাঝখানে মিড আইলেন্ড এবং এলইডি লাইটিং এর মাধ্যমে বিউটিফিকেশনের আওতায় নিয়ে আশা হবে। রাস্তার বর্তমান অবস্থা থেকে নগরবাসীকে মুক্ত করা হবে। মেয়র নগরীর উন্নয়ন ও শতভাগ সেবার স্বার্থে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা, যোগাযোগ, আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশের জন্য সকলকে নিয়মিত পৌরকর প্রদান করার জন্য আহ্বান জানান। ৪ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. শনিবার, সন্ধ্যায় নগরীর সাগরিকা রোডে এলইডি লাইটিং কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র এ আহবান জানান। মেয়র সুইচ অন করে সড়কবাতির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও বিদ্যুৎ স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জাবেদ। এতে প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, নিছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু, কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী, জহুরুল আলম জসিম, সাহেদ ইকবাল বাবু, ছালেহ আহমেদ চৌধুরী, হাজী নুরুল হক, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, জেসমিনা খানম, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহফুজুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী ঝুলন কুমার দাশ, সহকারী প্রকৌশলী রেজাউল বারী ভূইয়া, বিবেক কান্তি দাশ, মোহাম্মদ এম এ হাসেম সহ প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৪ নভেম্বরর ২০১৭খ্রি.

২নং ওয়ার্ডে নাগরিকদের বিশাল সমাবেশে- মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

টোকেন ট্যাক্স ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ৫১ টাকায় নির্ধারণ করেছি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পঞ্চবার্ষিকী পৌরকর মূল্যায়নকে কেন্দ্র করে নিন্দুকদের একটি অংশ অপরাজনীতিতে জড়িয়ে নগরবাসীকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত হয়েছে। আপিল রিভিউ বোর্ডের বিবেচনায় তাদের অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি থেকে সম্মানিত হোল্ডারগণ ধীরে ধীরে মুক্তি পেয়ে স্বস্থিতে আপিল বোর্ড থেকে ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। মেয়র বলেন, অতীতের টোকেন ট্যাক্স সর্বনি¤œ ১০২ টাকা ছিল। আমি তাদের এই টোকেন ট্যাক্স কমিয়ে ৫১ টাকায় নির্ধারণ করেছি। এই ৫১ টাকা পরিশোধে কোন হোল্ডার অপরাগ মনে করলে আমি তাদের হয়ে প্রতি বছর নিজ তহবিল থেকে টোকেন ট্যাক্স সিটি কর্পোরেশনকে পরিশোধ করে দেব। আপিল রিভিউ বোর্ডের বিবেচনায় বিধবা, গরীব, নিঃস্ব, অসচ্ছল মানুষদের সর্বোচ্চ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন অন্যায় ভাবে গরীবের উপর ট্যাক্স ধার্য্য করে কোন ধরনের জুলুম করার ইচ্ছা পোষন করেনা। তবে সচ্ছল ও বিত্তবানদের পৌরকর নিয়মিত পরিশোধ করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার জন্য আহবান জানান মেয়র। তিনি বলেন, আমি বিবেক দ্বারা পরিচালিত হই। জীবনে উত্থান-পতন দেখেছি, জুলুম-নির্যাতন ও অপবাদ অনেক সহ্য করেছি। অন্যায়ের কাছে মাথানত করার শিক্ষা-দীক্ষা নিতে পারিনি। যা সত্য, যা বাস্তব তাই বিশ্বাস করি এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করি। নগরবাসীর গুরুদায়িত্ব কাধে নিয়েছে তাদের প্রাপ্য সেবা শতভাগ দেয়ার জন্য। তবে আইন ও বিধি-বিধানের বিপরীতে অন্যায় ও অবিচার করার কোন অভিপ্রায় আমার নেই। তিনি সেবার স্বার্থে সকলকে নিয়মিত পৌরকর আদায় করা এবং এসেসমেন্টের কারণে কোন আপত্তি থাকলে ১১ নভেম্বর ২০১৭ এর মধ্যে আপিল করার আহবান জানান। ৪ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. শনিবার বিকেলে নগরীর কুলগাঁও স্কুল ময়দানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ড কাউন্সিলর আয়োজিত বিশাল সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র এ আহবান জানান। পঞ্চবার্ষিকী পৌরকর পুনঃমূল্যায়ন সংক্রান্ত বিষয়ে নাগরিকদের অবহিত করার লক্ষে আয়োজিত বিশাল এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাহেদ ইকবাল বাবু।

সমাবেশে এলাকাবাসীদের পক্ষে আলহাজ্ব মো. ইব্রাহিম, হাজী আবদুল মালেক, আলহাজ্ব মো. ইয়াকুব, শফিকুল আলম, মো. আমিনুল হক খান, আবু সৈয়দ আজম, হারুন উর রশিদ, বাহার উদ্দিন, আবদুল করিম, আনোয়ার হোসেন, এ এম মহিউদ্দিন, আবদুল মান্নান, আবু নাছের তালুকদার, রাজা মিয়া রাজু, মাহফুজুর রহমান খোকন, মো. ইসহাক, আবদুল্লাহ আল মামুন, লুৎফর রহমান, হুমায়ুন আলম মুন্না, সেলিম উদ্দিন বাদশা, এমদাদ উদ্দিন, বিপ্লব, দিদারুল আলম, ইকবাল হাসান বাবু, শেখ ফজলে রাব্বি ইমন, নওবাব সিরাজদ্দৌল্লা, নুর আলম মুন্না, আবিদ শাহরিয়ার, নিশান ও ইসমাইলসহ সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ তাদের মতামত তলে ধরেন। পরে একটি র‌্যালী রাজপথ পদক্ষিন করে।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা