Press Release 05-11-2017


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ৫ নভেম্বরর ২০১৭খ্রি.

নগরীর ৩টি মার্কেটকে আধুনিকায়ন করছে

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

নগরীর ৩টি মার্কেটকে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। মার্কেট ৩টি হলো নগরীর আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোডের বাদামতলী মোড়ের সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট, রিয়াজউদ্দিন বাজার আমতল মোড়ের শাহ আমনত সিটি কর্পোরেশন মার্কেট ও ৫নং মোহরা ওয়ার্ডের কাজীরহাট মার্কেট। এই ৩টি মার্কেটের আধুনিকায়নের পরিকল্পনা, বাজেট, নকশা, ইন্টেরিয়র ডিজাইন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ৫ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. রবিবার সকালে নগরভবনে সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশলীগণ ও কনসাল্টিং ফার্ম ত্রি-মাত্রিকার কর্মকর্তার সাথে এক বৈঠকে বসেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী আবু ছালেহ, কামরুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, আবু ছালেহ মো. তৈয়ব, ফরহাদুল আলম, সুদীপ বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আধুনিকায়নের পরিকল্পনার মধ্যে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটকে ৫ তলা থেকে ১০ তলা, শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন মার্কেটকে ৪ তলা থেকে ৭ তলা ও কাজীরহাট মার্কেটকে টিনশেড থেকে পাঁকা ভবনে উন্নিত করা হবে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট ও শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন মার্কেটের দোকানগুলোকে আরো সুপরিসর, আধুনিক করার পাশাপাশি পার্কিং স্পেস, ফুডকোর্ট, সিনেপ্লেক্স, কিডস্ জোন ইত্যাদি রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কনসাল্টিং ফার্ম ত্রি-মাত্রিকের কর্মকর্তারা ৩টি মার্কেট সরেজমিনে পরিদর্শন পূর্বক মার্কেটগুলোর জায়গা পরিমাপ করে নকশার লে-আউট, ইন্টেরিয়র ডিজাইন মেয়রকে পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। সিটি মেয়র মার্কেটগুলোর নকশা, ইন্টেরিয়র ডিজাইন প্রত্যক্ষ করে এই কাজের সম্ভাব্য ব্যয় ও কতদিনে কাজ সমাপ্ত করা যাবে তার বাজেট ও সময় আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে নির্ধারণ করে  কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগকে জানানোর জন্য ত্রি-মাত্রিকের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন।

উল্লেখ্য সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটের নকশা, ইন্টেরিয়র ডিজাইন চূড়ান্ত হওয়ায় চলতি সপ্তাহে টেন্ডার আহ্বান করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। 

 

চট্টগ্রাম- ৫ নভেম্বরর ২০১৭খ্রি.

সিটি মেয়রের সাথে সাক্ষাত করে ডাস্টবিন মুক্ত শহর গড়ার কার্যক্রমকে স্বাগত জানাল বাকলিয়া বহুমুখি সমাজ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি

৫ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. রবিবার দুপুরে নগরভবনে মেয়র দপ্তরে নগরীর ১৯ নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড বহুমুখি সমাজ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে সাক্ষাত এবং মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, পরিবেশবান্ধব স্বাস্থ্য সম্মত বিশ্বমানের নগরী গড়ার লক্ষ্যে ডাষ্টবিনমুক্ত শহর গড়ার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সে লক্ষ্যে ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারন কার্যক্রম চলমান আছে। তিনি যত্রতত্র, যখন তখন, নালা নর্দমায় ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকতে নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান। মেয়র বিকেল ৩ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত সুনির্দ্দিষ্ট জায়গায় এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীর নিকট আবর্জনা হস্তান্তর করার সময় বেধে দেয়া হয়েছে। এসময়ের মধ্যে ময়লা আবর্জনা বর্জ্য সংগ্রহকারীদের দেয়ার অনুরোধ জানান নগরবাসীকে। ডাস্টবিনমুক্ত নগরী গড়ার  কর্মসূচির অধিনে নগরীর ১৯ নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড এর বাদামতলী ডাষ্টবিন তুলে দেয়া হয়েছে। মতবিনিময়ে নগরীর ১৯ নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ড বহুমুখি সমাজ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক জনাব নুরুল আলম মিয়া, সদস্য সচিব এম শওকত খান মেয়রের ডাস্টবিনমুক্ত পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যসম্মত, বিশ্বমানের নগরী গড়ার পরিকল্পনাকে স্বাগত জানান। তারা মেয়রের সেবাধর্মী সকল কার্যক্রমে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এসময় অন্যদের মধ্যে সৈযদ আবদুল কাদের, মো. সাইফুল ইসলাম, মো. শরিফ হোসেন, মো. রাশেদ, মো. রসেল, মো. রাশেদ রেজা ও সাইফুল কাদের রুমি সহ বহমুখি সমাজ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৫ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

সিটি মেয়রের সাথে সবুজ সেনা সোসাইটির সাক্ষাত ও মতবিনিময়

৫ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. রবিবার, বিকেলে নগরভবনে মেয়র দপ্তরে  সবুজ সেনা সোসাইটির নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে সাক্ষাত এবং মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ার লক্ষ্যে ছাদ বাগান কর্মসূচি এবং সজুব নগরী গড়ার কর্মসূচী ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কর্মসূচীতে তিনি সবুজ সেনা সোসাইটির সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। মতবিনিময়ে সবুজ সেনা সোসাইটির নেতৃবৃন্দ তাদের ছাদ বাগান কর্মসূচীর কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, বিগত দিনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কোন মেয়র সবুজ নগরী গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেননি। তবে অনেকেই বাগান ও বৃক্ষ রোপন কার্যক্রম চালু  করেছিলেন। তারা বর্তমান মেয়রের দৃশ্যমান কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। এসময় সোসাইটির প্রধান এডমিন ইসরাত ঝুনা, মডারেটর মলি রহমান, কায়সার মুকিত, লায়লা আরজুমান, মো. আবুল হোসেন সবুজ, কলি নাহার, রাকেমা জাবেদ  সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৫ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

ঠিকাদারদের সাথে প্রকৌশল

বিভাগের  সমন্বয় সভায় মেয়র

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, উন্নয়নের অংশীদার ঠিকাদারবৃন্দ। তাদের মাধ্যমে চট্টগ্রাম নগরীর যাবতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। এ ঠিকাদারদের অবহেলা, কাজে অনিয়ম, দীর্ঘসূত্রিতা ও গুনগত মানের ত্রæটি বিচ্যুতি উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কাজে নিয়োজিত সকল ঠিকাদারকে কাজের গুন ও মান অটুট রেখে নির্ধারিত সময়ে সকল ধরনের নির্মাণ ও উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করার জন্য আহবান জানান। ০৫ নভেম্বর  ২০১৭খ্রি, রবিবার, সন্ধ্যায় নগরভবনের কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ঠিকাদারদের সাথে প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয় সভায় মেয়র এ আহবান জানান। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ।  সমন্বয় সভায় মেয়র বিগত ১ বছরের থোক বরাদ্ধে ঠিকাদারদের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে খতিয়ে পর্যালোচনা করেন এবং তিনি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দিয়ে নির্দ্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সমাপ্ত করে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সুযোগ সৃষ্টি করর লক্ষ্যে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ দেন। সভায় তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোছাইন, আবু সালেহ, কামরুল ইসলাম সহ তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, নির্বাহী প্রকৌশলী, ঠিকাদার এসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম শফিউল আজম, সাধারন সম্পাদক এস এম আলমগীর, সহ সভাপতি মো. ফিরোজ সহ ঠিকাদারবৃন্দ তাদের মতামত তুলে ধরেন। সমন্বয় সভায় প্রায় শতাধিক ঠিকাদার উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৫ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে আপিলকারীদের

রিভিউ বোর্ডের শুনানীর  ৬ষ্ঠ দিনে ২৩৮ জন হোল্ডারের আপত্তি নিষ্পত্তি

হোল্ডিং ট্যাক্স কমল ৭০.৯৯%

০৫ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি. সার্কেল-২ এর আপিলকারীদের আপিল নিষ্পত্তির জন্য সকাল ১১ টা থেকে রিভিউ বোর্ড  এর কার্যক্রম শুরু হয়। আজ ২৩৮ টি আপত্তি নিষ্পত্তি করা হয়। শুনানীর ৬ষ্ঠ দিনে আপিল রিভিউ বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার জন্য ২৬৩ জন হোল্ডার এর নিকট পত্র প্রেরণ করা হলে তন্মোধ্যে ২৩৮ জন হোল্ডার আপীল রিভিউ বোর্ডে শুনানীর জন্য উপস্থিত হন। আপীল রিভিউ বোর্ড হোল্ডারদের আপত্তি আমলে নিয়ে নির্ধারিত ভেল্যু থেকে গড়ে ৭০.৯৯% ছাড় দিয়েছে। এছাড়াও ১ জন বিধবা সহ  ৭ জন গরীব হোল্ডারকে বছরে নামমাত্র ৫১ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারন করেছে। আপিল রিভিউ বোর্ড ২৩৮ জন হোল্ডারের অ্যাসেসমেন্ট ভেল্যু ৪ কোটি ৫২ লক্ষ ৩২ হাজার ২ শত টাকা থেকে কমিয়ে ১ কোটি ৩১ লক্ষ ২২ হাজার ৬ শত টাকা ভেল্যু ধার্য্য করেছে। ফলে এ্যাসেমেন্ট ভ্যালু থেকে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৯ হাজার ৬ শত টাকা কর কমল। আপিল রিভিউ বোর্ড দুভাগে বিভক্ত হয়ে শুনানীতে অংশ নেন। মেয়র দপ্তরে অনুষ্ঠিত শুনানীতে সভাপতিত্ব করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এবং প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার দপ্তরে রিভিউ বোর্ডের শুনানীতে মেয়রের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিরর হাবিবুল হক। আপিল রিভিউ বোর্ড সদস্য প্রকৌশলী এম.আবদুর রশিদ, এডভোকেট চন্দন বিশ্বাস, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ট্যাক্সেশন অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আগামী ১১ নভেম্বর এর মধ্যে সম্মানীত ট্যাক্স হোল্ডারদের কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে আপিল করার জন্য সময় নির্ধারিত আছে। হোল্ডারগণ চাইলে এসময়ের মধ্যে আপিল করে শুনানীতে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

 

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা