Press Release 06-02-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ০৬ ফেব্রæয়ারি ২০১৮খ্রি.

মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কলেজ ডে উদ্বোধন করেছেন সিটি মেয়র নাছির উদ্দিন শিরীন আকতার

মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কলেজ ডে উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন। ০৬ ফেব্রæয়ারি ২০১৮ খ্রি. মঙ্গলবার, সকালে নাসিরাবাদ চন্দ্রনগরস্থ মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কলেজ ডে-তে সিটি মেয়র এবং তাঁর স্ত্রী শিরীন আকতার প্রথমে কেক কেটে বেলুন উড়িয়ে কলেজ ডে উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন পরবর্তী মেয়র দম্পতি মেডিকেল কলেজ শিক্ষক শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে অনুষ্ঠিত ্যালির নেতৃত্ব দেন। উপলক্ষে অত্র কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ এর অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা.মো.মাহতাব উদ্দিন হাসান। সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মেয়র মহধর্মীনি মিসেস শিরীন আকতার, কলেজের পরিচালক অধ্যাপক ডা.এস এম আশরাফ আলী, উপাচার্য অধ্যাপক ডা.মো.শায়খুল ইসলাম,ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো. মনিরুজ্জামান, অধ্যাপক ডা. শিব শংকর সাহা, বিএমএ বিজ্ঞান বিষয়ক সম্পাদক ডা.নুর হোসেন ভূঁইয়া শাহীন,যুগ্ম সম্পাদক ডা. রবিউল করিম,প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক ডা. প্রণয় কুমার দত্ত, কলেজ নিউরোসার্জারী বিভাগ প্রধান ডা. কামাল উদ্দিন,ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. সাজ্জাদ মুহাম্মদ ইউসুফ, কলেজের শিশু সার্জারী বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আকবর হোসেন ভ্ূঁইয়া, গাইনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. শাহানারা চৌধুরী,ডা. ওয়াজেদ চৌধুরী অভি,ডা. এসএস মাহমুদ,ফরেনসিক মেডিসন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. কাশেম,বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. নাজিবুন নাহার,গাইনি বিভাগীয় প্রধান ডা.জাকেয়া সুলতানা বেগম, সহযোগী অধ্যাপক ডা.এরশাদুল হক প্রমুখ। সুধি সমাবেশে মেয়র  নাছির উদ্দীন বলেন, দেশে সরকারিভাবে মেডিকেল কলেজের সংখ্যা সীমিত। বে-সরকারিভাবে গড়ে উঠা মেডিকেল কলেজগুলো মেডিকেল শিক্ষার ক্ষেত্রে অবদান রেখে যাচ্ছে। তিনি বলেন, গুণগতমান সম্পন্ন এবং শিক্ষার পরিবেশ বান্ধব আরো বেশি  মেডিকেল কলেজ প্রয়োজন। মেরিন সিটি মেডিকেল কলেজ দেশের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ থেকে অনেকটা ভিন্নধর্মী পরিবেশ বান্ধব। মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জন, বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন শিক্ষার পরিবেশ  বিরাজমান। এখানে শিক্ষাথীদের অধ্যয়ন জীবন যাপনের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের উৎকন্ঠিত হওয়ার কোন কারন নেই। শান্তিপুর্ন সহাবস্থান আন্তরিক পরিবেশে শিক্ষার্থীরা সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে। মেয়র শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি সহ নানা ক্ষেত্রে বিরাজমান ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আরো উন্নয়নে কর্তৃপক্ষ নিরলসভাবে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে মেয়র আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 

চট্টগ্রাম- ০৬ ফেব্রæয়ারি ২০১৮খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নগরীর ৮৮ টি এনজিও

এর সাথে মতবিনিময় করলেন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন বলেছেন, বাংলাদেশের সকল এনজিও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়। চট্টগ্রাম নগরীতে যে সকল এনজিও কাজে নিয়োজিত আছে তাদের সকলের মধ্যে সমš^ সাধন অতীব জরুরী। বিশেষ করে নগরীর ৪১ টি ওয়ার্ডে শিক্ষা,স্বাস্থ্য উন্নয়ন, শিশু শ্রম, দারিদ্র বিমোচন, মা শিশু স্বাস্থ্য সেবা, স্বাস্থ্য সচেতনতা, আনুষ্ঠানিক শিক্ষা, সুবিধা বঞ্চিতদের উন্নয়ন, ক্ষুদ্র অর্থায়ন, সামাজিক বনায়ন, সেনিটেশন, এইডস্ প্রতিরোধ, সুপেয় পানির ব্যবস্থা, সামাজিক উন্নয়ন, গৃহায়ন, শিশু শ্রম হ্রাস করন, শিক্ষাবৃত্তি কর্মসূচী, দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার প্রশিক্ষন, জীবন দক্ষতা শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষন, প্রজনন স্বাস্থ্য সচেতনতা সেবা, পুনর্বাসন, নারীর ক্ষমতায়ন, আইনী শিক্ষা সহায়তা, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, শিশু পাচার প্রতিরোধ, পাট পন্য ব্যবহারে উদ্বুদ্ধকরণ উন্নয়ন ইত্যাদি কার্যক্রমের সাথে নিয়োজিত এনজিওদের মধ্যে সমš^ সাধন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করন এবং এনজিওদের সার্বিক কার্যক্রমের সচিত্র প্রতিবেদন চসিক বরাবরে হস্তান্তর, প্রতিটি ওয়ার্ডে স্থানীয় কাউন্সিলর সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের অবহিত করে কার্যক্রম পরিচালনা এবং তাদের সাথে সমš^ সাধনের উপর গুরুত্বারোপ করেন মেয়র নাছির উদ্দীন। তিনি বিশ্বাস করেন, সকলের ঐক্যান্তি প্রচেষ্টায় নাগরিকদের কাংখিত সেবা তাদের দোর গোড়ায় পৌঁছে দেয়া সম্ভব। প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্দিষ্ট দায়িত্বের বাইরেও নগরবাসীর স্বাস্থ্য শিক্ষা খাতে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। যা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে বিরল দৃষ্টান্ত। কারন বাংলাদেশের কোন সিটি কর্পোরেশনে দুটি খাতে সেবার কোন নিদর্শন নেই। কেবলমাত্র চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনই শিক্ষা স্বাস্থ্য সেবায় নিরলসভাবে নিয়োজিত রয়েছে। মেয়র আশা করেন, নাগরিক সেবার স্বার্থে সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের সাথে বে-সরকারি সকল এনজিও সহযোগী হবেন। তিনি প্রতি মাস অন্তর অন্তর এনজিওদের সাথে মতবিনিময়ে আগ্রহী বলে এনজিও সংগঠনগুলোকে অবহিত করেন। ০৬ ফেব্রæয়ারি ২০১৮ খ্রি. মঙ্গলবার, চসিক কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে নগরীর ৮৮টি এনজিও সংস্থার সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র এসকল বিষয়গুলো তুলে ধরেন। মেয়র আরো বলেন, এনজিওদের ঐক্যান্তিক  প্রচেষ্টায় বস্তিবাসী নিঃস্ব হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যে পরিবর্তন গড়তে শুরু করেছে। সরকারের পাশাপাশি এনজিওদের তৎপরতায় দেশে গরীবের সংখ্যা ক্রমশই হ্রাস পাচ্ছে। বর্তমানে হার মাত্র ২২ শতাংশ।

তিনি আশা করেন ২০৩০ সনের মধ্যে বাংলাদেশ দরিদ্রমুক্ত উন্নয়নশীল দেশে রূপ নেবে। এর ফলে সরকারের ভিশন বাস্তবায়িত হবে। এনজিওদের সমš^ সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা। এতে চসিক সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রধান পরিকল্পনাবিদ স্থপতি কে এম রেজাউল করিম সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এনজিওদের মতবিনিময় সভায় এসওএস শিশু পল্লী, ওয়াল্ড ভিশন, ব্র্যাক, আশা, ইপসা,ইউসেপ, এডাব, এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথ, কারিতাস, ঘাসফুল, টিআইবি, বিটা, বেলা, মমতা, ইমেজ, কেএসডিএস, ডিএসকে,নওজোয়ান, প্রশিকা,আইইএফ, ক্যাম্পাস, অপরাজেয় বাংলাদেশ, অগ্রযাত্রা, আশার আলো, আইডিএফ, আই এসডিসিএম, ইউডিপিএস, উদ্দীপন, উৎস, কোডেক, সিএসডি, কোষ্ট ট্রাস্ট, টিএমএসএস, পিএসটিসি, সিআরপি, বাংলাদেশ নারী প্রগতি, ব্রাইট বাংলাদেশ ফোরাম, ব্লাস্ট, ব্যুরো বাংলাদেশ, মাইশা, মিশনরীজ অব চ্যারিটি, যুগান্তর সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, শক্তি ফাউন্ডেশন, এসডিআই, স্বপ্লিল ব্রাইট ফাউন্ডেশন, সাজেদা ফাউন্ডেশন, স্কাস, অপরাজিতা নারী উন্নয়ণ সংস্থা, আমাতরু, আলোকন,ইন্টিগ্রেটেট সোসাল ডেভেলেপম্যান্ট ইফোর্ট বাংলাদেশ,  ইলমা  ইষিকা ফাউন্ডেশন, উপলব্ধি, উষা নারী উন্নয়ন সংস্থা, ওডেব, ইমেজ, আমেরিকান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল লেবার সলিডারিটি, শিশুস্বর্গ দুস্থ এতিম শিশু নিবাস, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, বিআইটি, বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যান সমিতি, উজ্জীবন, ওয়াচ, জীবন চিত্র, জনসেবা, ডিডিআরসি, দৃষ্টি, নিস্কৃতি, নয়ন তারা, নির্মল ফাউন্ডেশন, কাশফুল, পিএস ফাউন্ডেশন, বর্ণালী, বরনী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা,বিশাপ, বনফুল সমাজকল্যান মুলক প্রতিষ্ঠান, ভাষা, মায়াবী সমাজ কল্যান সংস্থা, মাকস্, রিডাস, পার্ক, সুচনা, এসডিএস, স্যাম্ব এর প্রতিনিধিবৃন্দ তাদের সংস্থার কার্যক্রম তুলে ধরেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা