Press Release 06-11-2017


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ৬ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে সিটি মেয়রের সাথে নগর ২২ মহল্লা সর্দার কমিটির নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সাথে ৬ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি. সোমবার, বিকেলে  নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম নগর বাইশমহল্লা সর্দার কমিটির নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়ে নগর বাইশ মহল্লার নেতৃবৃন্দ মেয়রের সেবাধর্মী সকল কর্মকান্ডে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। স্বচ্ছতার সাথে নগরবাসীর পৌর কর পূনঃমূল্যায়ন নিশ্চিত করে দরিদ্র জনগোষ্টি এবং অস্বচ্ছল নগরবাসীর প্রতি সহানুভুতি প্রদর্শন করে সর্বনিম্ন টোকেন   ট্যাক্সের আওতায় নিয়ে আসায় তারা মেয়রকে সাধুবাদ জানান। মহল্লা সর্দারবৃন্দ নগরীর আদিবাসী নাগরিকদের মূল্যায়ন করায় মেয়রের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং ৮টি আপিল রিভিউ বোর্ডে  নগর বাইশমহল্লা সর্দার কমিটির ৮ জন প্রতিনিধি রাখার সিদ্ধান্তকে অভিনন্দিত করেন।  মতবিনিময়ে   চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, হতদরিদ্র, রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাগণের মালিকানাধিন ইমারত বা জমিতে তাদের নিজস্ব বসবাসকৃত অংশের উপর হোল্ডিং কর এবং প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাগণের বসবাসের নিজস্ব মালিকানাধীন হোল্ডিং এ অবস্থিত ইমারত বা জমির উপরস্থিত ১ হাজার ৫ শত বর্গফুট আয়তন পর্যন্ত ফ্ল্যাটের উপর হোল্ডিং কর আরোপ করা হবে না। তিনি বলেন, আপিল রিভিউ বোর্ড এর স্বচ্ছতা নিশ্চিতকল্পে নগর বাইশমহল্লা কমিটির নির্ধারিত ৮ জন প্রতিনিধিকে ৮ টি আপিল রিভিউ বোর্ডে পর্যবেক্ষক হিসেবে রাখা হবে। এছাড়াও আপিল নিষ্পত্তি দ্রুত করার জন্য ৮ টি সার্কেলে ৮ টি আপিল রিভিউবোর্ড দায়িত্ব পালন করবেন। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন,বিশ্ব মানের দৃষ্টিনন্দন নগর গড়তে নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। চট্টগ্রামকে বিউটিফিকেশনের আওতায় আনা হচ্ছে এবং ডোর টু ডোর বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে। যাবতীয় উন্নয়ন কর্মকান্ডে সকল শ্রেনী ও পেশার প্রতিনিধিদের মতামতের প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, শতভাগ সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদীহিতার উপর ভিত্তি করে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মতবিনিময় সভায়  নগর বাইশমহল্লা সর্দার কমিটির সভাপতি মো. ইউসুফ, সাধারন সম্পাদক মাকসুদ আহমদ সর্দার, সহ সভাপতি আবু মোহাম্মদ মুছা চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী আলী বক্স,মো. তারেক,  সহ সাধারন সম্পাদক সলাহ উদ্দিন ইবনে আহমেদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব মো. নুরুল হক, সমাজ কল্যান সম্পাদক হাজী শওকত আলী, অর্থ সম্পাদক মো. সাহাব উদ্দিন সহ নগর বাইশ মহল্লার সর্দার কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৬ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে আপিলকারীদের

রিভিউ বোর্ডের শুনানীর  ৭ম দিনে ১৫৩ জন হোল্ডারের আপত্তি নিষ্পত্তি

হোল্ডিং ট্যাক্স কমল ৭১.৮০%

০৬ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি. সার্কেল-৩ এর আপিলকারীদের আপিল নিষ্পত্তির জন্য সকাল ১১ টা থেকে রিভিউ বোর্ড  এর কার্যক্রম শুরু হয়। আজ ১৫৩ টি আপত্তি নিষ্পত্তি করা হয়। শুনানীর ৭ম দিনে আপিল রিভিউ বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার জন্য ১৬৮ জন হোল্ডার এর নিকট পত্র প্রেরণ করা হলে তন্মোধ্যে ১৫৩ জন হোল্ডার আপীল রিভিউ বোর্ডে শুনানীর জন্য উপস্থিত হন। আপীল রিভিউ বোর্ড হোল্ডারদের আপত্তি আমলে নিয়ে নির্ধারিত ভেল্যু থেকে গড়ে ৭১.৮০% ছাড় দিয়েছে। এছাড়াও ১ জন মুক্তিযোদ্ধা ও ৫ জন গরীব হোল্ডারকে বছরে নামমাত্র ৫১ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারন করা হয়েছে। সম্মানীত ১০ জন হোল্ডারের পৌরকর পূর্বের হার বহাল রাখা হয়েছে। আপিল রিভিউ বোর্ড ১৫৩ জন হোল্ডারের অ্যাসেসমেন্ট ভেল্যু ৩ কোটি ৫০ লক্ষ ৫৫ হাজার ৭ শত টাকা থেকে কমিয়ে ৯৮ লক্ষ ৮৫ হাজার ১ শত টাকা ভেল্যু ধার্য্য করেছে। ফলে এ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু থেকে ২ কোটি ৫১ লক্ষ ৭০ হাজার ৬ শত টাকা  কর কমল। আপিল রিভিউ বোর্ড দুভাগে বিভক্ত হয়ে শুনানীতে অংশ নেন। মেয়র দপ্তরে অনুষ্ঠিত শুনানীতে সভাপতিত্ব করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এবং প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার দপ্তরে রিভিউ বোর্ডের শুনানীতে মেয়রের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিলর হাবিবুল হক। আপিল রিভিউ বোর্ড সদস্য প্রকৌশলী এম.আবদুর রশিদ, এডভোকেট চন্দন বিশ্বাস, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ট্যাক্সেশন অফিসার জসিম উদ্দিন, উপ কর কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, আগামী ১১ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. পর্যন্ত   সম্মানিত ট্যাক্স হোল্ডারবৃন্দ কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে আপিল করার জন্য সময় নির্ধারিত আছে। ৫ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. পর্যন্ত ৫৩ হাজার ৪৮ জন সম্মানিত হোল্ডার আপিল/আপত্তি দাখিল করেছেন। হোল্ডারগণ চাইলে এসময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।

 

চট্টগ্রাম- ৬ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে সিটি মেয়রের সাথে বেসরকারী ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির মতবিনিময়

৬ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি. সোমবার, বিকেলে নগরভবনে মেয়র দপ্তরে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে সিটি মেয়রের সাথে বেসরকারী ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময়কালে বেসরকারী ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের ট্রেডলাইসেন্স এবং পৌরকর বিষয়ে বলেন, নগরীর উন্নয়নে এবং সেবার স্বার্থে নিয়মিত ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন এবং পৌরকর দিতে কোন দ্বিধা নেই। তবে বিভ্রান্তি,অনিয়ম ও দীর্ঘসূত্রিতা যাতে না হয় সেদিকে তারা মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। মতবিনিময়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পঞ্চবার্ষিকী পৌরকর পুনঃমূল্যায়ন একটি নিয়মিত কার্যক্রম এর অংশ। প্রতি ৫ বছর অন্তর অন্তর এ পুনঃমূল্যায়ন আইনের বিধি বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করা চসিক এর দায়িত্ব।  সে দায়বোধ থেকে চসিক প্রাথমিক অ্যাসেসমেন্ট সম্পনন করেছে। এ বিষয়ে  সম্মানিত হোল্ডারদের আপত্তি দাখিল করার জন্য ১১ নভেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আপিলে অংশগ্রহন করে সম্মানীত হোল্ডারগণ আপিল রিভিউ বোর্ডের সামনে উপস্থিত হয়ে তাদের মতামত তুলে ধরতে পারেন। হোল্ডারদের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আপিল রিভিউ বোর্ড সম্মানিত হোল্ডারদের সামর্থ্যরে মধ্যে পৌরকর চূড়ান্ত করছে। এ বিষয়ে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় বিএমএ সাধারন সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী,  বেসরকারী ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সভাপতি ডা.কাশেম, সদস্য সচিব ডা. লিয়াকত আলী, ডা. সুলতান, ডা. কিউ এম অহিদুল আলম, ডা. রিজোয়ান, ডা. তৌফিক, ডা. মাসুদ, ডা. কেচিং সহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। 

 

চট্টগ্রাম- ৬ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে সিটি মেয়রের সাথে জে-ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের মতবিনিময়

৬ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি. সোমবার, দুপুরে নগরভবনে মেয়র দপ্তরে নগরীর ১১নং ওয়ার্ডের হালিশহর হাউজিং এস্টেট জে-ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, আইনের বাধ্যবাধকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পঞ্চবার্ষিকী পৌরকর পুনঃমূল্যায়ন সম্পন্ন করেছে। প্রাথমিক এ অ্যাসেসমেন্টের বিষয়ে সম্মানিত হোল্ডারদের আপত্তি দাখিল করার জন্য ১১ নভেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দেয়া আছে। এই সময়ের মধ্যে যারা আপিলে অংশগ্রহন করবেন তাদের শুনানী পরিচালনা করবে আপিল রিভিউ বোর্ড। এই বোর্ড আইনের আওতায় গরীব, অসচ্ছল, বিধবা, মুক্তিযোদ্ধাসহ সকলের মতামত আমলে নিয়ে সম্মানিত হোল্ডারদের সামর্থ্যরে মধ্যে পৌরকর চূড়ান্ত করছে। এ যাবত কোন হোল্ডার অসন্তোষ প্রকাশ করেনি। মেয়র বলেন, সম্মানিত নাগরিকদের যে ওয়াদা দেব তা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলব। কোন মহল দ্বারা প্রভাবিত হয়ে নগরবাসীর উপর অন্যায়ভাবে পৌরকর চাপিয়ে দেয়ার কোন ইচ্ছা বা অভিপ্রায় আমার নেই। তিনি বলেন, নাগরিক চাহিদা অনুযায়ী শতভাগ সেবা নিশ্চিত করাই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সে দায়বোধ থেকে সেবা দেয়াই আমার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। নগরবাসীর কাংখিত সেবা নিশ্চিত করতে হলে  নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। সেই সহযোগিতার একমাত্র অবলম্বন পৌরকর। তিনিা আশা করেন, নগরবাসী নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করে নগরীর উন্নয়নের চাকা ও সেবা সচল রাখতে সহযোগিতা করবেন। মেয়র এ লক্ষ্যে জে-ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। মতবিনিময়ে জে-ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ মেয়রের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে তাদের উপর ধার্য্যকৃত পৌরকর রিভিউ বোর্ডের মাধ্যমে সহনীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত করার আহŸান জানান। এ সময় স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী, জে-ব্লক সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি কাজী মিনহাজ উদ্দীন রুদভী, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোরশেদ চৌধুরী, সহ সভাপতি শেখ শহীদুল্লাহ পাভেল, মিজানুল হায়দার, হাজী মুরশিদ আলম কো:, সহ সাধারণ সম্পাদক মুজিবুল মাওলা রনি, প্রচার সম্পাদক ইকবাল আহমদ মুরাদ, সদস্য আনোয়ারুল আজিম কাজল সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৬ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

ফিরিঙ্গীবাজার সড়ক এবং চাক্তাই খালের উপর

নির্মাণাধীন ব্রিজ পরিদর্শন করলেন মেয়র

এডিবির অর্থায়নে ৫ কোটি ৬২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৮শত টাকা ব্যয়ে ফিরিঙ্গীবাজার ৪ হাজার ৫শত ফুট সড়কের দুপাশে ড্রেন, মিড আইল্যান্ড, সড়ক কার্পেটিং, ফোয়ারা নির্মাণ এবং পেভিং টাইলস দিয়ে ফুটপাত নির্মাণ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। চলতি অর্থ বছরের এই নির্মাণ কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনে যান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি সড়কের ড্রেন নির্মাণসহ উন্নয়ন কাজের খুটিনাটি দিকগুলো খতিয়ে দেখেন। পরে তিনি জাইকার অর্থায়নে নির্মাণাধীন চাক্তাই খালের উপর ৬০ মিটার স্পেনের পিসি গাডার ব্রিজ ঢালাই কাজ এবং এপ্রোচ নির্মাণ কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য যে, জাইকার অর্থায়নে ১ কিলোমিটার মেরিনাস সড়ক এবং এই সড়কে ৪টি ব্রিজ নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মেরিনাস সড়কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। ব্রিজ নির্মাণ কাজ সমাপ্তির পর ব্রিজগুলো সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। সড়ক ও ব্রিজ নির্মাণ কাজ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে মেয়র স্থানীয় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বলেন, নগরীর অবকাঠামো ও যাতায়াত ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তণ আনা হচ্ছে। দ্রুত গতিতে উন্নয়ন কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাইকার অর্থায়নে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে মেরিনাস সড়ক ও ৪টি ব্রিজ নির্মিত হচ্ছে। এর ফলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাথে যোগাযোগের পথ সুগম হবে এবং সর্বসাধারণ ভোগান্তি ছাড়া নিরাপদে শহরে প্রবেশ এবং জেলার বিভিন্ন প্রান্তে যাতায়াত করার সুযোগ পাবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ফিরিঙ্গীবাজার সড়কের দুপাশে কোন নালা ছিল না। এ সড়কটিকে আধুনিকতায়, দৃষ্টিনন্দন করার লক্ষ্যে প্রায় ৫ কোটি টাকা ব্যয় করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। এ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, তার মেয়াদকালে নগরীর অলিগলি রাজপথ পিচঢালা কার্পেটিং সড়কে উন্নিত হবে। নগরীর সকল সড়কে এলইডি লাইটিং করা হবে। এ ছাড়াও বিউটিফিকেশনের আওতায় চট্টগ্রাম নগরীকে নান্দনিক সাজে সাজিয়ে দেয়া হবে। তিনি তার মেয়াদের মধ্যে দেয়া প্রতিশ্রæতি পূরণ করতে বদ্ধপরিকর বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। মেয়র নাগরিক সেবার স্বার্থে সম্মানিত ট্যাক্স হোল্ডারদেরকে নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করার আহŸান জানান। এ সময় ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, ৩৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, তত্ত¡াবধায়ক প্রকৌশলী আনোয়ার হোছাইন, নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফরহাদুল আলম, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম, সহকারী প্রকৌশলী গোফরান উদ্দিনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা