Press Release 08-11-2017


চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ৮ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

৮ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় পূর্বের কর মূল্যায়নের নবায়ন চাই  আইনের দোহাই দিয়ে আইন ভাঙছেন মেয়রশিরোনামে প্রকাশিত সাবেক মেয়র এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিবৃতি প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ব্যাখ্যা।

৮ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. তারিখে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় পূর্বের কর মূল্যায়নের নবায়ন চাই  আইনের দোহাই দিয়ে আইন ভাঙছেন মেয়রশিরোনামে প্রকাশিত সাবেক মেয়র এ.বি.এম. মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিবৃতি প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৮ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. গণমাধ্যমে প্রেরিত ব্যাখ্যায় বলা হয়, ৮ নভেম্বর স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত বিবৃতি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যেপ্রনোদিত। প্রতি ৫ বছর পর পর গৃহকর পুনর্মূল্যায়নের বিষয়ে বিধান রয়েছে। আইন ও বিধি অনুযায়ী পূর্বের মূল্যায়ন নবায়নের কোনো সুযোগ নেই।  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক ইতোপূর্বে কৃত পঞ্চবার্ষিকী কর মূল্যায়ন সম্পূর্ণ বৈধ পদ্ধতিতে Taxation Rules 1986 এর ১৯,২০,২১ বিধিমতে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং বর্তমানে করবিধি ৭ মতে আপিল শুনানি ও কর চূড়ান্ত করা হচ্ছে। কর নির্ধারণের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি আইনি কাঠামোয় চলমান রয়েছে। অবৈধভাবে কর নির্ধারিত হলে যে কোন ব্যক্তি আইনের আশ্রয় নিতে পারতো। ইতিপূর্বে জনৈক জহিরুল হক, মো. কামাল উদ্দীন, সৈয়দ হোসেন এবং সৈয়দ মো. হাসান মারুফ নামক ব্যক্তিরা উক্ত অ্যাসেসমেন্টের বিরুদ্ধে ২৫/১০/২০১৬ খ্রি. তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে 3755/2017 নং রীট দাখিল করেন। যা ২৩/০৩/২০১৭ খ্রি. তারিখে মহামান্য হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়ে সিটি কর্পোরেশন প্রণীত টেক্স রুলটাকে বৈধ মর্মে ঘোষণা করেন। এতে প্রমাণিত হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এ্যাসেসমেন্ট প্রক্রিয়া সঠিক। আইন সবার জন্য সমান। ছল-চাতুরির আশ্রয় নিয়ে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করা অসম্ভব। কারণ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়  মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত একটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি কাজের উপর স্থানীয় সরকার বিভাগের নিবিড় পর্যবেক্ষণ রয়েছে বিগত ২৮/০৮/২০১৭ খ্রি. তারিখের ৫৮৭ নং স্মারক মুলে স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের পত্রের মাধ্যমে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে ট্যাক্সেশান রুল ১৯,২০,২১ ধারা যথাযথ পালন পূর্বক কর হালনাগাদকরণ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে মর্মে জানানো হয় এবং ২০১৬ এর আদর্শ কর তপশিলমতে কর আরোপ করার বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।  ইতিপূর্বে পরিচালিত অ্যাসেসমেন্টে ১৯৮৬ এর করবিধি যথাযথ অনুকরণ করা হয়নি মর্মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ১২/১১/২০১২ খ্রি. তারিখের (স্মারক নং ১৭১) পত্র মারফত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে জানিয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ব্যাখ্যায় আরো বলেন, চট্টগ্রাম নগরে প্রতিবছর ঘরবাড়ি অবকাঠামো বৃদ্ধি পায়। পূর্বে যেখানে ঘরবাড়ি ছিল না সেখানে নতুন ঘরবাড়ি হয়েছে। একতলা বিল্ডিং ৫/৬- তলা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে। একই মালিকের একাধিক ভবন নির্মিত হয়েছে। আগে একটি ফ্ল্যাটের ভাড়া  যা ছিল তা বর্তমানে কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবেই আগের মাননীয় মেয়রগণ যে কর নির্ধারন করেছিলেন তা বর্তমানে অবকাঠামোগত প্রবৃদ্ধির কারণে স্বাভাবিক ভাবেই বৃদ্ধি পেয়েছে। আগেও অ্যাসেসমেন্টে যে মূল্যায়ন নির্ধারণ করা হয়েছিল তা আপিলে সহনীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত করা হয়েছিল। ঠিক একইভাবে বর্তমানেও রিভিউ বোর্ডে Taxation Rules 1986 এর বিধি ৭ মতে শুনানি গ্রহণ করে নাগরিকের সাধ্য ও সামর্থ্যরে কথা বিবেচনা করে কর চূড়ান্ত করা হচ্ছে। নগরবাসী শুনানির পর খুশিমনে সন্তোষ চিত্তে বাড়ি ফিরছে। Taxation Rules 1986 এর বিধিমালা অনুসরণ করেই কর চূড়ান্তকরণে আপিল শুনানি চলমান রয়েছে। পূর্বের মেয়রগণের মত এখনো ইমারত ও জমির মূল্যায়ন ও এর উপর ৭% গৃহকর, পরিচ্ছন্ন ৭% ও আলোকায়ন ৩% হারে রেইট সহ মোট ১৭ শতাংশ হারে কর ও রেইট নির্ধারণ করা হচ্ছে। ব্যাখ্যায় আরো বলা হয়  বর্তমানে নন কনজারভেন্সি ১৬ টি ওয়ার্ডে রাস্তা নির্মাণ আলোকায়ন ও পরিচ্ছন্ন কাজ নিয়মিত সম্পন্ন করা হলেও আগের মতই উক্ত ওয়ার্ডসমূহে এখনো গৃহকর ৭%, পরিচ্ছন্ন ৪% ও আলোকায়ন ৩% হারে রেইট সহ মোট ১৪% হারে কর ও রেইট নির্ধারণ করা হচ্ছে ও পূর্বের মতই কর আদায় করা হচ্ছে।

Taxation Rules 1986 এর বিধিতে যা বলা হয়েছে তা অনুসরন করে কর নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়ের বারংবার নির্দেশনায় আইনানুযায়ী নিশ্চিতভাবে প্রতীয়মান হয় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের কর নির্ধারণে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পূর্বের মেয়র ২০০৫-২০০৬ সনে Taxation Rules 1986 এর ২১ ধারায় কর মূল্যায়ন না করায় তৎকালেও অডিট আপত্তি হয়েছে, যা এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। বর্তমানে আপিলকারীর বক্তব্য অনুসারে তাদের সাধ্য-সামর্থ্যরে কথা বিবেচনা করেই কর চূড়ান্তকরণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বর্তমানে মাননীয় মেয়র আ. জ. ম. নাছির উদ্দীন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ০৭ নভেম্বর ২০১৭ খ্রি. পর্যন্ত পিচ ঢালা সড়কের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫৪টি, দৈর্ঘ্য ১৩৭ কি.মি. ও প্রস্থ ০.১১৮ মি. বৃদ্ধি পেয়েছে। কংক্রীট সড়কের সংখ্যা ১৫৫টি, দৈঘ্য ৭৭.০৫ কি.মি. ও প্রস্থ ০.১৫ মি. বৃদ্ধি পেয়েছে। পাকা নর্দমার দৈর্ঘ্য ৬৪.৪৫ কি.মি ও প্রস্থ ০.১৪৬ মি. বৃদ্ধি পেয়েছে। ফুটপাথের সংখ্যা ২৪টি বৃদ্ধি পেয়েছে, যার দৈর্ঘ্য ২২.৯৩ কি.মি. ও প্রস্থ ০.১৪ মি. প্রতিরোধ দেওয়াল বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫.৮ কি.মি. ব্রিজ সংখ্যা বেড়েছে ৭ টি, গভীর নলকূপ ৫৮টি ও কালভার্ট ১১০টি বৃদ্ধি পেয়েছে। নগর আবর্জনামুক্ত করার জন্য নগরবাসিকে ৮ লক্ষ ছোট বিন ও ৩৩০০ বড় বিন বিতরণকরা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরো ছোট ও বড় বিন সরবরাহ করা হবে। ডোর-টু-ডোর পদ্ধতি বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারন কাজ চলমান রয়েছে। সুস্বাস্থ্যের জন্য নগরীর ৮০% ডাস্টবিন তুলে ফেলা হয়েছে। অতিরিক্ত ১৭১৩ জন সেবক নিয়োগ করে নগরীকে শতভাগ পরিচ্ছন্ন রাখার আন্তরিক আপ্রাণ প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। মাননীয় মেয়র দায়িত ¡গ্রহণের পূর্বে ৮০০ কিলোমিটার রাস্তা আলোকায়িত ছিল। তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর আলোকিত রাস্তার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৮৭২.৫১ কিলোমিটার। ইতিপূর্বে কখনো এলইডি বাতি স্থাপিত হয়নি। বর্তমানে ৯ কিলোমিটার আলোকায়িত রাস্তায় পূর্বের কম আলোর বাতির স্থানে এলইডি বাতি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। মাননীয় মেয়র এর সময়কালে নগরীর সকল রাস্তা পর্যায়ক্রমে এলইডির আওতায় আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে পূর্বের যেকোনো সময়ের তুলনায় সড়ক নির্মাণ, আলোকায়ন, পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। ব্যাখ্যায় আরো বলা হয়, বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন দায়িত্ব গ্রহণ করার পর নগরীতে বিদ্যমান সকল বিলবোর্ড অপসারন করে চট্টগ্রাম নগরীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা হয়েছে এবং ফুটপাত সমুহ হকার মুক্ত করে হকারদের শৃংখলার বেষ্টুনীর মধ্যে আনা হয়েছে। নগরীর সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ চলমান রয়েছে। এবং নগরীর অবকাঠামো ও যোগাযোগ এবং নালা নর্দমা নির্মাণ ও সংস্কার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। চসিক এর ব্যাখ্যায় বলা হয় ৩১ জানুয়ারি ২০১৬ সালের আদর্শ কর তপশিলের মতে রেটের হার (আলোকায়ন ৫%) বৃদ্ধি করা হয়নি। যে হারে কর ও রেট পূর্বের মেয়রগন আদায় করেছেন ঠিক সে হারেই এখনো তা আদায় করা হচ্ছে। ইতিপূর্বে কোনো মেয়র এর সময়কালে পরিচ্ছন্ন রেট ৭% ও আলোকায়ন রেট ৩% এর কম আদায় করা হয়নি। যদিও তখন বর্তমান পর্যায়ের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলমান ছিলনা এবং আলোকায়নও বর্তমান পর্যায়ের মত বিস্তৃত ছিলনা। তাই নিশ্চিত করে বলা যায় পূর্বের নিয়মে আদায়কৃত ময়লা নিষ্কাশন ও সড়কবাতির রেট কোনোভাবেই নগরবাসীর ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়নি। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ব্যাখ্যায় আরো বলেন, গৃহকর মূল্যায়নের যে পদ্ধতি Taxation Rules 1986 তে আছে ঠিক সে মতেই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তা করতে বাধ্য। গৃহকর মূল্যায়নে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নিজস্ব কোনো এখতিয়ার নেই। আদর্শ কর তপশিলে গৃহকরের সর্বোচ্চ হার ৭% ই উল্লেখ আছে। পূর্বেও এই ৭% ই আদায় করা হয়েছে। এখনো ঐ ৭% ই আদায় করা হচ্ছে।  কর নির্নায়কগণ Taxation Rules 1986 এর ২০ বিধি অনুযায়ী ভাড়াভিত্তিক গৃহকর মূল্যায়ন করেছেন। পূর্বে এই নিয়ম যথাযথ মানা হয়নি বলে মান্ত্রণালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণ মেলে। পূর্বের মত ধার্যকৃত মুল্যায়নে যারা আপত্তি করতে ইচ্ছুক শুধু তাদেরকেই আইনগত আপিল করার অনুরোধ করা হয়েছে। বর্তমানে ৫৫ হাজার অধিক আপিল/আপত্তি জমা পড়েছে। মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে আপিল/ আপত্তি দায়ের করছে। আপিলকরণে নগরবাসীকে চাপাচাপির কোনো অবকাশ নেই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারনে পূর্বের হোল্ডিং এর সাথে নতুন কিছু হোল্ডিং যুক্ত হয়ে সর্বমোট ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ২ শত ৪৮টি হোল্ডিং অ্যাসেসমেন্ট করা হয়েছে। যদি ভুল পদ্ধতিতে তা করা হয় তাহলে নিশ্চয় বিষয়টি আইন আমলে আসতে পারে। ভুল পদ্ধতিতে অ্যাসেসমেন্ট করা হয়নি বলে এসেসমেন্টের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন-এ দায়েরকৃত 3755/2017 নং রিটটি ১৬/০৮/২০১৭ খ্রি. তারিখ খারিজ হয়ে যায়। মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন সিটি কর্পোরেশনের ট্যাক্স রুলটাকে বৈধ মর্মে ঘোষণা করেন। প্রতি ৫ বছর পর পর গৃহকর পুনর্মূল্যায়নের বিষয়ে বিধি রয়েছে। আইন ও বিধি অনুযায়ী পূর্বের মূল্যায়ন নবায়নের কোনো সুযোগ নেই।

অতএব গণমাধ্যমে সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর বরাতে প্রকাশিত বিবৃতির কারনে নগরবাসীর মধ্যে যাতে কোন ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি না  হয় সে লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এ ব্যাখ্যা প্রদান করেছে। চসিক আশা করে সেবাধর্মী এ প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সুখ্যাতি এবং সরকারের ভাবমুর্তি অটুট রাখতে সকলেই  সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবেন।

 

চট্টগ্রাম- ৮ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

কদম মোবারক সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়  এবং  জামালখান কুসুম কুমারী  সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

কদম মোবারক সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়  এবং  জামালখান কুসুম কুমারী  সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভা ৮ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি. নগরভনের সম্মেলন কক্ষে বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় উভয় কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। সভায় বিগত সভার কার্যবিবরণী পাঠ ও অনুমোদন, স্কুল ও কলেজের পঠন অগ্রগতি পর্যালোচনা ও অনুমোদন, বাজেট  উপস্থাপন ও অনুমোদন, বার্ষিক পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করন,কদম মোবারক উচ্চ বিদ্যালয়ে মহিলা মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য শিক্ষা বোর্ডের অনুমতি গ্রহণের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ,   বিবিধ খরচ সমন্বয় সহ নানা বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভার সভাপতি সিটি মেয়র  আ জ ম নাছির উদ্দীন শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি সহজ এবং শিক্ষার্থীদের মন মানসিকতা অনুধাবন করে শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার পরামর্শ দেন। তিনি পরিচালনা কমিটির সকল সদস্যকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম অটুট রেখে শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার আহবান জানান।  মেয়র কুসুম কুমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রয়েল সোসাইটি অব ইংল্যান্ড থেকে কমনওয়েলথ্ সায়েন্স ক্লাস প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করায় এবং বিশ্বের ৯টি দেশের সাথে ১২টি প্রজেক্টে শেয়ার করে ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এ্যাওয়ার্ড পুরষ্কারে ভুষিত হওয়ায় বিদ্যালয় এর শিক্ষক, পরিচালনা কমিটি ও ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সভায় প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুর রহমান, সিদ্ধার্থ কর, উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সদস্য সচিব যথাক্রমে আবু জহুর ও চম্পা মজুমদার, উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্য রতন দত্ত, গীতাশ্রী মজুমদার, শিখা দাস, শিক্ষক প্রতিনিধি মিসেস সাহেদা বেগম, জাহাঙ্গীর আলম, রঞ্জন কুমার দেব, শিল্পী রায়, কামরুন নাহার, লুৎফুন্নিসা খানম, সহ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ৭ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পঞ্চবার্ষিকী কর পুনঃমূল্যায়ন বিষয়ে আপিলকারীদের

রিভিউ বোর্ডের শুনানীর  নবম দিনে ১৮৬ জন হোল্ডারের আপত্তি নিষ্পত্তি

হোল্ডিং ট্যাক্স কমল ৭৩.৮৪%

০৮ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি. সার্কেল ৪ এর আপিলকারীদের আপিল নিষ্পত্তির জন্য সকাল ১১ টা থেকে রিভিউ বোর্ড  এর কার্যক্রম শুরু হয়। আজ ১৮৬টি আপত্তি নিষ্পত্তি করা হয়। শুনানীর নবম দিনে আপিল রিভিউ বোর্ডে উপস্থিত হওয়ার জন্য ২০০ জন হোল্ডার এর নিকট পত্র প্রেরণ করা হলে তন্মোধ্যে ১৮৬ জন হোল্ডার আপীল রিভিউ বোর্ডে শুনানীর জন্য উপস্থিত হন। আপীল রিভিউ বোর্ড হোল্ডারদের আপত্তি আমলে নিয়ে নির্ধারিত ভেল্যু থেকে গড়ে ৭৩.৮৪% ছাড় দিয়েছে। এছাড়াও ১৪ জন গরীব হোল্ডারকে বছরে নামমাত্র ৫১ টাকা হোল্ডিং ট্যাক্স নির্ধারন করা হয়েছে এবং ১১ জন হোল্ডারের পৌরকর পূর্বের হার বহাল রাখা হয়েছে। আপিল রিভিউ বোর্ড ১৮৬ জন হোল্ডারের অ্যাসেসমেন্ট ভেল্যু ৩ কোটি ৭৭ লক্ষ ৩৫ হাজার ৪ শত টাকা থেকে কমিয়ে ৯৮ লক্ষ ৭২ হাজার ২ শত টাকা ভেল্যু ধার্য্য করেছে। ফলে এ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু থেকে ২ কোটি ৭৮ লক্ষ ৬৩ হাজার ২ শত টাকা  কর কমল। আপিল রিভিউ বোর্ড দুভাগে বিভক্ত হয়ে শুনানীতে অংশ নেন। মেয়র দপ্তরে অনুষ্ঠিত শুনানীতে সভাপতিত্ব করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এবং প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তার দপ্তরে রিভিউ বোর্ডের শুনানীতে মেয়রের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন কাউন্সিলর হাবিবুল হক। আপিল রিভিউ বোর্ড সদস্য প্রকৌশলী এম.আবদুর রশিদ, এডভোকেট চন্দন বিশ্বাস, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, কর কর্মকর্তা ও উপ কর কর্মকর্তা সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

 

চট্টগ্রাম- ৮ নভেম্বর ২০১৭খ্রি.

আমরা স্বাবলম্বী হব সকলে কর দেবজননেত্রী শেখ হাসিনার এ প্রতিপাদ্যকে ধারন করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়কর বিভাগ চট্টগ্রাম অঞ্চল আয়োজিত সেরা করদাতা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

আমরা স্বাবলম্বী হব সকলে কর দেবজননেত্রী শেখ হাসিনার এ প্রতিপাদ্যকে ধারন করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আয়কর বিভাগ চট্টগ্রাম অঞ্চল নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত কর মেলা আয়োজন করে। কর মেলা সমাপ্তিতে ৮ নভেম্বর  ২০১৭ খ্রি.  সকালে জিইসি কনভেনশন সেন্টারে আয়োজন করা হয় সেরা করদাতা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার,খাগড়াছড়ি,রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলার ৪০ জন শ্রেষ্ঠ করদাতাকে এবং ৮টি কর বাহাদুর পরিবারকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।  এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কর কমিশনার মাহাবুবুর রহমান। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন কর আপিল ট্রাইব্যুনালের সদস্য গোলাম মোস্তফা, কাষ্টম এক্সেস ও ভ্যাট কমিশনার সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, কর কমিশনার নাজমুল করিম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুকুর রহমান সিকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজাউল মাসুদ, চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, মহিলা চেম্বার সহ সভাপতি আবিদা মোস্তফা, কর আইনজীবি সমিতির সভাপতি মাহফুজুল হক মনি। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সেরা করদাতা এবং কর বাহাদুর পরিবার এর মধ্যে সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেন। অনুষ্ঠানে কর বাহাদুর পরিবারের পক্ষে আমির আলী হোসেন, অসিত কুমার সাহা, লোকমান হোসেন তালুকদার তাদের অনুভুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, দেশ এবং জাতির উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি দেশের নাগরিকদের উপর নির্ভর করে। সম্মানীত নাগরিকগণ নিয়মিত কর পরিশোধ করে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছে। জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশকে ২০২১ সনের মধ্যে মধ্য আয়ে এবং ২০৪১ সনের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে উন্নিত করার ভিশন জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন। নাগরিকদের সহযোগিতায় ইতোমধ্যে বাংলাদেশ নিম্ন-মধ্য আয়ের দেশে উন্নিত হয়েছে। তিনি আশা করেন সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও নিয়মিত কর পরিশোধের মধ্য দিয়ে দেশ সামনে এগিয়ে যাবে।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা