Press Release 09-02-2019

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

চট্টগ্রাম।

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি) 

অমর একুশে বই মেলার

আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন আগামীকাল (রবিবার)

চট্টগ্রাম- ০৯ ফেবুুয়ারি ২০১৯

আগামীকাল ১০ ফেব্রæয়ারি রবিবার বিকাল টায় নগরীর এম আজিজ স্টেডিয়ামে সিজেকেএস জিমনেশিয়াম চত্বর (বই মেলা প্রাঙ্গণ) অমর একুশে বই মেলার উদ্বোধন করা হবে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রী . হাছান মাহমুদ এম.পি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন। এতে সংশ্লিষ্ট সকলকে যথা সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

এনায়েত বাজার ওয়ার্ডে ভিটামিনপ্লাস

ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র

চট্টগ্রাম- ০৯ ফেব্রæয়ারি- ২০১৯ইংরেজী।

আজ শনিবার সকালে এনায়েত বাজার দাতব্য চিকিৎসালয়ে একটি শিশুকে ভিটামিনক্যাপসুল খাইয়ে দিয়ে ভিটামিনপ্লাস ক্যাম্পেইন(২য় রাউন্ড)-২০১৯ এর দিনব্যাপি কর্মসুচির উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ সলিম উল্ল্যাহ বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে  চসিক  প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। সভা সঞ্চালনায় ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী। সময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে মো. কায়সার উদ্দিন, রফিক খান, সুজিত ঘোষ, গোপাল ঘোষ, মো. মোর্শেদ, আকরাম উল্লাহ, রফিক মিয়া, বিপু ঘোষ বিলু মো. ইদ্রিস প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন থেকে ১১ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে একটি নীল রঙের (১লক্ষ ইউনিট) ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রতিটি শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিনক্যাপসুল (২লক্ষ ইউনিট) খাওয়ানো হবে। এই ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য হল শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি ভিটামিনএর অভাবজনিত শিশুর অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা পুষ্টি বিষয়ক অন্যান্য কর্মসূচি সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা। উক্ত কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যা অবশ্যই পালন করতে হবে তা হল মাস বয়সী শিশুকে মায়ের দুধের পাশাপাশি ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানোর বিষয়ে পুষ্টি বার্তা প্রচার এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া চিকিৎসার জন্য মনিটরিং টিম গঠন করা, আইপিসি সম্পন্ন করা ওয়ার্ড ভিত্তিক উদ্দিষ্ট শিশুর তালিকা সংরক্ষন করার উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। প্রসঙ্গে তিনি নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে স্থায়ী/অস্থায়ী ১২৮৮ কেন্দ্রে থেকে ১১ মাস বয়সী প্রায় ৮০ হাজার শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সাড়ে লাখ শিশুকে একটি লাল রঙের ভিটামিনক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। মেয়র বলেন, নগরীর ৪১জন ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ১৪জন মহিলা কাউন্সিলরের নেতৃত্বে স্কুল শিক্ষক স্বেচ্ছাসেবক বিভিন্ন স্তরের জনগণ এই কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করছে। যার ফলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিগত সময়ে যে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নগরীর বছরের কম বয়সী সকল শিশু যাতে এই কর্মসূচীর আওতাভুক্ত হয় সেই ব্যাপারে আরো দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান মেয়র। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সেবায় চিকিৎসকের ভুমিকার কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন বিশ্বে মানুষের গড় আয়ু যেখানে ৬৯ বছর। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছর। এই সাফল্যের পেছনে যাদের অবদান তারা হলেন আমাদের  চিকিৎসক সমাজ। তিনি দেশের চিকিৎসক সমাজের প্রতি ধন্যবাদ কর্তৃজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সিটি মেয়র বলেন, চিকিৎসা সেবা বিষয়টিকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মৌলিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছে। চসিক পরিচালিত স্বাস্থ্যকেন্দ্র সমূহ নগরীর ৬০ লক্ষ লোকের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে চসিক নগর স্বাস্থ্য, চক্ষু পরিচর্যা কেন্দ্র, ভিসিটি সেখার নগর মাতৃসদন সেবা চালু রেখেছে এই সকল স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র মাতৃসদন হাসপাতালে দক্ষ অভিজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছে। এই প্রসংগে মেয়র বলেন, সকল নগর স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র মাতৃসদন হাসপাতলের রোগীদের সাধারণ রোগীদের চিকিৎসার পাশাপাশি টিকাদান কর্মসূচী, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, স্বাস্থ্য শিক্ষা কর্মসূচী স্বল্প মূল্যে নিদিষ্ট প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরিক্ষা গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্য পরিচর্যার সকল সুযোগ-সুবিধা পরামর্শ প্রদান করে থাকে।

কর্পোরেশন এলাকায় ভিটামিনপ্লাস ক্যাম্পেইন সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এই ক্যাম্পেইন সফল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকাল টা হতে বিকাল টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলছে। চসিকের সম্মানিত কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণের সার্বিক সহযোগিতা ছাড়াও নগরে অবস্থিত সকল-সরকারি-বেসরকারি সংস্থার কর্মকর্তাগণ ছাড়াও প্রায় হাজার স্বেচ্ছাসেবক, সকল জোনাল অফিসার, মেডিকেল অফিসার, ইপিআই টেকনিশিয়ান, সুপারভাইজার, স্বাস্থ্য সহকারী, টিকাদান স্বাস্থ্যকর্মী কাজে নিয়োজিত আছে। ছাড়াও ভিটামিনপ্লাস ক্যাম্পেইন (২য় রাউন্ড) সফলভাবে বাস্তবায়নে সচেতন নাগরিক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, শিক্ষক, প্রকৌশলী, ইমাম, পুরোহিত অন্যান্য পেশাজীবীদের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। উপলক্ষে চসিক জাতীয় স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, স্বেচ্ছাসেবকদের আপ্যায়নের জন্য মেয়রের পক্ষ থেকে বিশেষ বরাদ্দ প্রদান, জনসাধারণের সহযোগিতা চেয়ে মসজিদে জুমার নামাজের খুতবায় মুসল্লিদের অবহিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। মেয়র ভিটামিনপ্লাস ক্যাপসুল সফলভাবে বাস্তবায়নে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ইপিআই সদর দপ্তর, জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান, সিভিল সার্জন, চট্টগ্রাম বিশ্বস্বাস্থ্য ইউনিসেফ সহ সকল সরকারী-বেসরকারী সংস্থাকে ধন্যবাদ জানান।

আউটার স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্বোধন ৭ই মার্চ

সুইমিং পুলের উদ্বোধন এপ্রিলে

চট্টগ্রাম- ০৯ ফেব্রæয়ারি- ২০১৯ইংরেজী।

আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়াসংস্থার সাধারণ সম্পাদক, সিটি মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন আউটার স্টেডিয়ামে এক পাশে নির্মিত সুইমিংপুলের উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন। প্রায়১২কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে সুইমিংপুল কমপ্লেক্স। ইতোমধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। কমপ্লেক্সের ণা বেণের জন্য জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ হলে এপ্রিলের মধ্যেই এই সুইমিংপুলের উদ্বোধন করা হবে বলে জানান সিজিকেএস এর সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র নাছির উদ্দীন। আগে নগরে কোথাও আন্তর্জাতিক মানের সুইমিংপুল ছিলনা। ফলে চট্টগ্রামে ক্রীড়া মোদিদের দাবী ছিল একটি আন্তর্জাতিক মানের সুইমিংপুল নির্মাণ করা। তারই প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়াসংস্থার তত্ত¡াবধানে নির্মিত হয় এই সুইমিংপুল কমপ্লেক্স। সাঁতার প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এই সুইমিংপুলে কিশোর-কিশোরীরা সাঁতার শিখতে পারবে।সুইমিংপুলের চারিদিকে সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য নানা রকমের ফুলের গাছ রোপণ করা হয়েছে। এরপর মেয়র নগরীর কাজীর দেউড়ী আউটার স্টেডিয়ামের চারপাশের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন। এলাকাটি বিগত সময়ে অবৈধ স্থাপনা দখলদারদের দখলে ছিল। ময়লা আবর্জনা স্তুপ করে থাকতো এই খানে। যে কারণে এই সড়কে চলাচলকারী নাগরিকদেরকে দুর্গন্ধে নাখে রুমাল চেপে চলাচল করতে হতো। জনাব নাছির উদ্দীন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর এই জায়গাটি সৌন্দর্যবর্ধিত করণের আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ করে। পরিদর্শনকালে মেয়র আউটার স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যবর্ধনের নকশা অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দেন।তিনি আউটার স্টেডিয়ামের কাজের অগ্রগতি আরো বাড়ানোর জন্য দায়িত্বর তবে সরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানটিকে প্রয়োজনীয় নিদের্শনা দেন। মেয়র বলেন, পুরো স্টেডিয়াম কে নান্দনিক রূপে সাজানো হচ্ছে। চারিদিকে ফুলের বাগান করা হবে।আউটার স্টেডিয়ামের মাঠে সবুজ ঘাস লাগানো হবে।আগে ভালো ড্রেনেজ ব্যবস্থা ছিলনা।বর্তমানে ড্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।পথচারীদের হাঁটা-চলানির্বিঘ্ন করতে দখলমুক্ত করে তৈরি হচ্ছে নান্দনিক সাজের ফুটপাত। ইতিমধ্যে পিকআপ ভ্যান মিনিট্রাকের অস্থায়ী স্ট্যান্ড তুলে দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।পর্যায়ক্রমে এটিএমবুথ, যাত্রীছাউনি নির্মাণ করা হবে।কিছু দিনের মধ্যে আউটার স্টেডিয়াম এলাকার চারপাশের পূর্ণাঙ্গ সৌন্দর্য দেখতে পাবে। নগরবাসী। এই স্থানের ফুটপাতে নাগরিকদের হাঁটা চলার জন্য ফুটপাতে বোডিং টাইলস স্থাপন, ফুলের বাগান, আলোকায়ন, বসার স্থান, ফুড জোন, অত্যাধুনিক পাবলিক টয়লেট নির্মান, বাস বে, সিএনজি বে, মোটর সাইকেল বে, যাত্রী ছাউনী, সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার জন্য ট্রাফিক পুলিশ বক্স স্থাপন এবং ফুটপাতে ওয়ার্কওয়ে দৃষ্টিনন্দন বাগান সৃষ্টি করা হচ্ছে। আগামী ৭ই মার্চ আউটার স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যবর্ধন জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে। সার্বিক অর্থায়ন ব্যবস্থাপনায় প্রতিষ্ঠান ফিউশন ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ারিং লি. এই সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করছে। সময় মেয়রের সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী লেঃ কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব পরামর্শক স্থপতি অর্ক দে, স্থপতি অর্চিমান দাশ, সার্বিক সহযোগিতা অর্থায়নে লায়ন এম হোসেন বাদল

বাকলিয়া সরকারী কলেজে ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে মেয়র

কলেজের বিদ্যমান সমস্যার সমাধানের আশ্বাস

 চট্টগ্রাম- ০৯ ফেব্রæয়ারি- ২০১৯ইংরেজী।

আজ শনিবার দুপুরে বাকলিয়া সরকারী কলেজের ক্রীড়া পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাকলিয়া সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ সিরাজ উদদৌল্লা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কলেজের বার্ষিক বহি:ক্রীড়া পরিচালনা কমিটির আহবায়ক . বিপ্লব গাঙ্গুলী, কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ কামাল হোসেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সম্পাদক আলহাজ্ব দিদারুল আলম দিদার, বাকলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সদস্য এস এম মোক্তার হোসেন লিটন, বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রণব চৌধুরী, পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কাসেম ভূইয়া এবং মহানগর ছাত্রলীগ উপ আইন বিষয়ক সম্পাদক মনির চৌধুরী, কলেজের শিক্ষার্থী রিদুয়ানুল হক প্রমুখ।মেয়র কলেজের বিদ্যমান সমস্যা নিরসন এবং কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নে তাঁর পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, সুনাগারিক ছাড়া  দেশ জাতির কল্যান করা সম্ভব নয়। মেয়র শিক্ষার্থীদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার পরামর্শ দেন।

সিটি মেয়র বলেন,একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই পারে আলোকিত মূল্যবোধ সম্পন্ন সু-নাগরিক সৃষ্টি করতে। আমাদের সমাজে নীতি-নৈতিকতার যে অবক্ষয় চলছে, তা থেকে শিক্ষার্থীদের রক্ষা করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী মাদকাসক্ত অনৈতিক কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ছে। এটা আমাদের শঙ্কিত করে। একজন শিক্ষার্থী শুধু ভাল ফলাফল করলে চলবেনা, তাকে পরোপকারী নিজ গুণে গুণান্বিত হতে হবে। এই প্রসংগে মেয়র  বলেন, সরকার আলোকিত নাগরিক সৃষ্টির লক্ষ্যে শিক্ষা খাতে  ভর্তূকি দিয়ে প্রতি বছর কোটি কোটি শিক্ষার্থীর হাতে বিণামুল্যে পাঠ্যবই বিতরণ করে আসছে। যা ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এই কমসূচীর আওতায় দেশের কোটি ২৬লক্ষ ১৯ হাজার ৮৬৫ জন ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে বিনামুল্যে ৩৫ কোটি ২১লক্ষ ৯৭ হাজার ৮৮২টি নতুন বই বছরের প্রথম দিনে প্রদান করেছে সরকার। এর উদ্দেশ্যে হচ্ছে ছেলে-মেয়েদের শিক্ষাদীক্ষায় জ্ঞান বিজ্ঞানে স্বনির্ভর করা সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এর ফলে দেশে শিক্ষা সাক্ষরতার হার বেড়েছে। ১০ বছর আগেও যেখানে বাংলাদেশর সার্বিক সাক্ষরতা হার ছিল অর্ধেক জনগোষ্ঠিরও কম। সেখানে বর্তমানে তা দুই-তৃতীয়াংশে ওঠে এসেছে। অথাৎ ২০০৮ সালে দেশের সাক্ষরতা হার ছিল ২৬ দশমিক ২৪ শতাংশ আর হার বৃদ্ধি পেয়ে  বর্তমানে ৭৩ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই সময়ে মাঝ-বয়সী জনগোষ্ঠির পাশাপাশি বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যেও শিক্ষার আওতা বেড়েছে ।এই কর্মসুচি অব্যহত থাকলে  শতভাগ মানুষ শিক্ষায় শিক্ষিত হবে  বলে মেয়র প্রত্যাশা করেন।

 

সংবাদদাতা

রফিকুল ইসলাম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন