Press Release 11-02-2019

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

চট্টগ্রাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

চসিকের অমর একুশের বই মেলার ২য় দিন

বই মেলা হলো আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি বিকাশের অন্যতম মঞ্চ-জসিম উদ্দীন চৌধুরী

চট্টগ্রাম- ১১ ফেব্রæয়ারি-২০১৯ ইংরেজী

দি পূর্বকোণ লি. এর চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, বাঙালি মনন কিংবা চিন্তার জগতে শু² অনুভুতিকে যে কজন কবি-সাহিত্যিক শক্তভাবে নাড়া দিতে সক্ষম হয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ তাদের মধ্যে অন্যতম। বাংলা সাহিত্যের বরপুত্র রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান সবার উপরে। তাই কবি গুরুর জীবনের প্রতিটি মূহুর্তকে যেমন  উপভোগ করেছেন তেমনি তাঁর সৃষ্টিশীল রচনা আমাদের চলমান জীবনে এক অমৃত শক্তি হিসেবে কাজ করে আসছে। তিনি আজ সোমবার  বিকেলে নগরীর সিজেকেএস জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদের সহযোগিতায় শুরু হওয়া অমর একুশে বই মেলা মঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথা বলেন। আগ্রাবাদ মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ . আনোয়ারা আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সার্দান বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ উপাচার্য প্রকৌশলী আলী আশরাফ, মেলা কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন চসিক প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়য়া, আবু সাইয়েদ সরদার, দেওয়ান মুকসুদ বই মেলার আজকের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র অনুষ্ঠান,সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, একক আবৃত্তি, দলীয় নৃত্য একক সঙ্গীতানুষ্ঠান এর আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ওয়াই ফাই জোন উদ্বোধন করেন চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা।  প্রধান অতিথির বক্তব্যে জসিম উদ্দিন বলেন, আমাদের দেশে বই মেলা একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে পরিনত হয়। স্বাধীনতার পর মুক্ত ধারা স্ব উদ্যোগে প্রথম বই মেলার আয়োজন করে। আর ১৯৭৮ সনের দিকে বাংলা একাডেমী প্রাতিষ্ঠানিক বই মেলা চালু করে। বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত বই মেলার নাম দেয়া হয় একুশে বই মেলা। নামকরনের মধ্য দিয়ে চলে আসছে আমাদের মাঝে অমর একুশে বই মেলা। সাংস্কৃতির নানা উপকরনের মধ্য দিয়ে গড়ে উঠেছে প্রানের মেলায়। তিনি বলেন বই মেলা হলো আন্তর্জাতিক সংস্কৃতি বিকাশের অন্যতম মঞ্চ। এখানে এসে মানুষ এক অনাবিল আনন্দ স্রোতে অবগাহন করে। আহরন করে নতুন প্রান শক্তি। বই মেলা শুধু বই কেনার আগ্রহ নয়, আছে মেলারও এক অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণ।

আগামীকালের অনুষ্ঠান সুচি: ঐদিন বিকাল টায় নজরুল বিষয়ক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন

.মোহিত উল আলম (প্রাক্তন উপাচার্য,জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়) এবং সভাপতিত্ব করবেন প্রফেসর মো. আইয়ুব ভূইয়া।এছাড়াও থাকবে মোড়ক উম্মোচন অনুষ্ঠান এবং সংগীতানুষ্ঠান

সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নব নির্বাচিত

নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন মেয়র

চট্টগ্রাম- ১১ ফেব্রæয়ারি-২০১৯ ইংরেজী

মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদের নব নির্বাচিত  নেতৃবৃন্দকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দীন। আজ সোমবার বিকেল নগরভবনে চসিক কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনয়তনে এই ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের সুস্বাস্থ্য দীর্ঘায়ু কামনা করেন মেয়র। এসময় উপস্থিত ছিলেন  চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড.শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, নব নির্বাচিত সাধারন সম্পাদক এড. আইয়ুব খান, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, এড.মুজিবুল হক, এড.নাজমুল আহসান খান আলমগীর, এড.ফখরুদ্দিন চৌধুরী, এড.অশোক দাশ, এড. মেজবাহ উদ্দিন আহমদ, এড.আবুল হাসেম, এড. এম নাছের চৌধুরী, এড.চন্দন বিশ্বাস, এড.চন্দন তালুকদার, এড.ইয়াছিন খোকন, এড. আবু হানিফ, এড.কামরুন নাহার, এড.তাসলিম উদ্দিন, সহ শতাধিক আইনজীবি মেয়রের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। শুভেচ্ছা বিনিয়মকালে মেয়র বলেন আইনজীবী সমিতির এই বিজয়কে অভিনন্দন জানালেও সন্তুষ্টি জনক নয়।  আমাদের প্যানেল ভোটের হিসাব নিকাশে বুঝা যায় আমরা আমাদের মধ্যে দেয়াল তৈরী করেছি। এই দেয়াল থাকলে ভবিষ্যতে পরিপূর্ণ প্যানেল বিজয় প্রত্যাশা করা যায় না। প্রজন্মের বিজ্ঞ আইনজীবীরাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জিবিত হয়ে এক অভিন্ন হয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেলে অপশক্তির দেয়াল ভেঙ্গে বিজয় ছিনিয়ে আনবে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন মহাবিদ্যালয় এর নবনির্মিত ভবন উদ্বোধনে মেয়র

ঝরে পড়া রোধে চসিক  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

হাজার শিক্ষার্থী বিনা বেতনে অধ্যয়নরত

চট্টগ্রাম- ১১ ফেব্রæয়ারি-২০১৯ ইংরেজী

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন মহাবিদ্যালয় এর নবনির্মিত ভবণের উদ্বোধন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব ...নাছির উদ্দীন ফলক উম্মোচনের মাধ্যমে ভবনের উদ্বোধন করেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে পাথরঘাটা সিটি কর্পোরেশন মহাবিদ্যালয়ের ভবন নির্মিত হয়। তলা বিশিষ্ট ৩৩ শত বর্গফুট বিশিষ্ট এই একাডেমিক ভবণ নির্মাণে ব্যয় হয় কোটি ২০ লক্ষ টাকা। এতে সমৃদ্ধ আইসিটি সুবিধা সহ ক্লাসরুম স্বতন্ত্র ফিজিক্স,ক্যামিস্ট্রি, বায়োলজি, কম্পিউটার ল্যাব, লাইব্রেরী,মাল্টিপারপাস হল রুম, গালর্স কমন রুম, মেডিকেল রুম,মিটিং রুম, শিক্ষক রুম,টিচার্স কমন রুম, এডমিশন একাউন্ট সেকশন, ক্যান্টিন বাথরুম ব্লক রয়েছে। আজ সোমবার সকালে ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থী রোধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তাঁর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে  প্রতি বছর প্রায় সাত হাজার শিক্ষার্থীকে বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ দিচ্ছে। মেয়র বলেন, বর্তমান সরকারের ২০২১ ২০৪১ রুপকল্প বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল, সৃস্টিশীল, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ বিশ্বমানের নাগরিক গড়ে তোলাই এর উদ্দেশ্য।  তিনি বলেন নগরে সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে মাত্র ৯টি। এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়ম বহির্ভুত কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই স্বভাবতঃ ভর্তি হতে না পারলে একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা জীবন থেকে ঝরে পড়ার সম্মুখ সম্ভাবনা থাকে। সেই ক্ষেত্রে শিক্ষার আলোকবর্তিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৯০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। এই সমস্ত প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্র্থী লেখা পড়া সুযোগ পাচ্ছে। এই প্রসংগে মেয়র বলেন সরকারের বই বিতরণ কার্যক্রম ঝরে পড়া রোধে একটি বিরাট সাফল্য। আগে বাবা-মা কবে বই কিনে দেবে, সেই জন্য শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়ায় বিলম্ব হতো। আর এখন বছরে প্রথম দিনেই সব শিক্ষার্থী বই পাচ্ছে। বইয়ের জন্য এখন আর চিন্তা করতে হচ্ছে না। তিনি বলেন, শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধে এখন প্রয়োজন শিক্ষক,অভিভাবক স্কুল পরিচালনা পর্ষদের আন্তরিকতা। শিক্ষকগন যথাসময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন,পাঠ পরিকল্পনা উপকরণ নিয়ে শ্রেণী কক্ষে যান এবং আকর্ষণীয়ভাবে পাঠদান করেন তাহলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া অনেকাংশে কমে যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মেয়র বলেন  আলোকিত সমাজ গড়তে শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। শিক্ষিত জাতি গঠনে রাষ্ট্রের পাশাপাশি শিক্ষক সমাজসহ অভিভাবকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেক অভিভাবক চান, তাদের সন্তান সুশিক্ষায় শিক্ষিত হউক। দেশ সমাজের কল্যাণে ভূমিকা রাখুক। জাতির এই প্রত্যাশা পুরণে ছাত্র শিক্ষক অভিভাবকের  সম্মিলিত প্রয়াস প্রয়োজন।    স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইসমাইল বালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর লুৎফুনন্নেছা দোভাষ বেবী,চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়য়া, চসিক সাবেক কমিশনার মো. জালাল উদ্দিন ইকবাল, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ফজলে আজিজ বাবুল বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফরহাদুর রহমান চৌধুরী শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে রাজনীতিক সফিকুর রহমান সিকদার,আবছার আহমদ, আশফাক আহমদ,আনিসুল হক, পুলক খাস্তগীর,সুমন, প্রকৌশলী মো. দিলদার হোসেন, রবীন্দ্র-নজরুল একাডেমীর অধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন। ভবন উদ্বোধন শেষে দেশ জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া মুনাজাত করা হয়।

চসিক শ্রমিক কর্মচারী লীগ এর সাথে সিটি মেয়রের বৈঠক

দ্রুত দাবী বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলেন মেয়র

 চট্টগ্রাম- ১১ ফেব্রæয়ারি- ২০১৯ইংরেজী।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী লীগ (সিবিএ) এর উদ্যোগে আজ সোমবার বিকেলে চসিক সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব নাছির উদ্দীনের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি জাহিদুল আলম। সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন শ্রমিক কর্মচারী লীগকে কার্যকর সংগঠনে পরিণত করতে  গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন মেয়র অনুষ্ঠানে সিবিএ নেতৃবৃন্দ চসিক- কর্মরত শ্রমিক কর্মচারীদের বিরাজমান সমস্যার কথা মেয়রকে অবহিত করেন। সমস্যার মধ্যে  যুগোপযোগী বেতন বৃদ্ধি,অস্থায়ী ভিত্তিতে কর্মরত তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি, চালক,শ্রমিক,সেবকদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে শুন্যপদে স্থায়ী করণ, অস্থায়ীদের প্রতিমাসে দিন করে ১২ দিন ছুটি কার্যকর,নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে পোষ্যদের ৩০ শতাংশ কোটা নিশ্চিত, মৃত্যুজনিত মানবিক কারণে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের ছেলে মেয়েদের উপযুক্ত পদে নিয়োগ দান, চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারীদের শীতবস্ত্র,ইউনিফর্ম, শাড়ী জুতা সরবরাহ নিশ্চিত করন, চসিক পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক কর্মচারী,চালক,সেবকদের সন্তানদের বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান, জৈষ্ঠতা যোগত্যার ভিত্তিাতে পদোন্নতি,কর্পোরেশনের সাধারণ সভায় সিবিএ প্রতিনিধি উপস্থিতি নিশ্চিত করন, চসিক পরিচালিত দাতব্য চিকিৎসালয় মাতৃসদন হাসপাতালে শ্রমিক কর্মচারী তাদের পরিবারের সদস্যদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান, গ্র্যাচুইটি পরিশোধ সহ সমসাময়িক কিছু দাবি রয়েছে। মেয়র সিবিএ নেতৃবৃন্দের দাবী দাওয়া  সমূহ আমলে নিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে কর্মরত কর্মকর্তা কর্মচারীদের নিজ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালনের মাধ্যমে কর্পোরেশনের সুনাম মর্যাদা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা চালানোর আহবান জানান। এসময় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মোরশেদুল আলম চৌধুরী, সহ সভাপতি মো. ইয়াছিন চৌধুরী, রুপম কান্তি দাশ, যুগ্ম সম্পাদক মো. মুজিবুর রহমান,  বিপ্লব কুমার চৌধুরী, সহ সাধারণ সম্পাদক রতন দত্ত, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মাসুদ, অর্থ সম্পাদক তারেক সুলতান, আইন বিষয়ক সম্পাদক ফরিদ আহমদ, সহ প্রচার সম্পাদক রতন শীল, সদস্য নমিতা বিশ্বাস, যোগেশ, মো. সফিকুল ইসলাম, কৃষ্ণ দাশ, মো. হারুনুর রশীদ প্রমুখ।

 

সংবাদদাতা

রফিকুল ইসলাম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন