Press Release 14-12-2017

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৯ তম সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত ৫ম পরিষদের ২৯ তম সাধারণ সভা ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. বৃহস্পতিবার, দুপুরে কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। সভায় নির্বাচিত পরিষদের সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর, অফিসিয়্যাল কাউন্সিলর, সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহাসহ বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। চসিকের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমানের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত সাধারণ সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত ও মোনাজাত করা হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের উষালগ্নে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী তাদের দোসর এ দেশের রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনী দেশের প্রথিতযশা সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বিজ্ঞানী, দার্শণিক, শিক্ষাবিদ ও চিকিৎসকদের নির্মম পৈশাচিকভাবে হত্যার প্রেক্ষাপট ও কারণ ব্যাখ্যা  করে সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। সভায় ৪৭ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে স্বাধীনতার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন স্টেডিয়ামে কর্পোরেশনভূক্ত বিদ্যালয় ও কলেজসমূহের স্কাউট, গার্লস গাইড, রোভার-রেঞ্জার, কাব এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে প্যারেড পরিদর্শন, কুচকাওয়াজ ও সালাম গ্রহণ, পুরস্কার বিতরণ, এবং ১৭ ডিসেম্বর নগরীর ইঞ্জিনিয়াস ইনষ্টিটিউট মিলনায়তনে বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতার কর্মসূচি অনুমোদন করা হয়। সভায় ব্যয় সংকোচন, মাদক নিয়ন্ত্রনে চট্টগ্রামা সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা, মাদক নিরাময়ে আগ্রহীদের সহযোগিতা প্রদান, নগরীতে চলাচলরত ট্যাংক, লরি, ও কাভার্ডভ্যানের উৎস কর নির্ধারণ, বাকলিয়া স্টেডিয়াম উন্নয়নে বিএমডিএফর আওতায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয় অনুমোদন, গণপরিবহনে শৃংখলা ফিরিয়ে আনার লক্ষে পার্কিং স্পট মার্কিং করা, বাণিজ্যিক ও আবাসিক ভবনের পার্কিং ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা, পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত আন্তঃজেলা গাড়ি নগরের অভ্যন্তরে প্রবেশ ও বের করার পূর্বের নিয়ম ও সময় মেনে চলা, পৌরকর আদায়ে গতিশীলতা আনায়ন, রাজস্ব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য অটোমেশনের আওতায় আনা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন মার্কেটের দোকান বরাদ্দের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রচারপূর্বক লটারীর মাধ্যমে অথবা বিজ্ঞপ্তি প্রচার করে সর্বোচ্চ দরদাতাকে বরাদ্দের বিষয় অনুমোদন, এলইডি বাতি স্থাপন কার্যক্রম সম্প্রসারণ, কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ, ওয়ার্ড পর্যায়ে ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন কার্যক্রম গতিশীল করা, অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজের গুনগত মান যাচাইপূর্বক চূড়ান্ত বিল অনুমোদন করা, ওজন যন্ত্র স্থাপন কাজ তরান্বিত করা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে স্থাপিত এ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট দ্বারা তৈরি মালামাল ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করা, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত যাত্রী ছাউনী নির্মাণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা, অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে অপসারণ করা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জ্বালানী খরচ হ্রাস করা, ডোর টু ডোর বর্জ্যব্যবস্থাপনা আরো জোরদার করা, ডাস্টবিনের সংখ্যা কমানো, ওয়ার্ড পর্যায়ে আবর্জনা অস্থায়ীভাবে ডাম্পিং এর জায়গা চিহ্নিত করা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জায়গা-সম্পত্তি চিহ্নিতকরণ, বস্তি উন্নয়ন ও দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি গতিশীল করাসহ নানা বিষয়ে প্রস্তাবনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভার সভাপতি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন,

নাগরিকদের সেবাপ্রাপ্তি তাদের অধিকার। ওয়াসার পাইপ লাইন স্থাপন, ফ্লাইওভার নির্মাণ, গ্যাস লাইন স্থাপন, বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন, অপটিকেল ফাইভার লাইন স্থাপনসহ অন্যান্য সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানের কাজের কারণে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কসমূহ বেহাল দশা থেকে উত্তোরণ করা যাচ্ছে না। ফলে নাগরিকদের দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করাও অনেকাংশে কঠিন হয়ে গেছে। তিনি বলেন, নাগরিকদের স্বার্থ সংরক্ষন করা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বের অংশ। সে হিসেবে চসিক আর্থিক সল্পতা সত্তে¡ও জরুরী ভিত্তিতে সড়ক সংস্কার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। গত বর্ষা এবং জোয়ারের পানির কারণে নগরীর সড়কসমূহ ব্যাপকহারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সমূহের সংস্কারে প্রানান্ত প্রয়াস চালাচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। মেয়র বলেন, নগরীতে উন্নয়নের যন্ত্রণা চলছে। এ কারণে নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি আশা করেন, তার মেয়াদের মধ্যে নগরীর কাঁচা ও অর্ধপাকা সড়ক সমূহ শতভাগ পাকা রাস্তায় উন্নিত করা হবে। এ লক্ষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রকল্প জমা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও চসিকের রাজস্ব আয় থেকে চলতি অর্থ বছরে প্রায় ৩০-৪০ কোটি টাকা ব্যয় করে কাঁচা রাস্তা পাকা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেয়র বলেন, পৌরকর আদায়ে বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে। সেবার সাথে নিয়োজিত ওয়াসা, বিদ্যুৎ, গ্যাস, টিএন্ডটিসহ যাদের সাথে নাগরিকদের সংযোগের বিষয় জড়িত তাদের সাথে সভা করে সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থার কার্যালয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের হেলপ ডেক্স স্থাপন করে পৌরকর পরিশোধের জন্য নাগরিকদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে উল্লেখিত সেবার সংযোগ দেয়ার জন্য সহযোগিতা চাওয়া হবে। এর ফলে পৌরকর পরিশোধে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা ও আগ্রহ সৃষ্টি হবে বলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আশা করে।

 

চট্টগ্রাম- ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭খ্রি.

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস স্মরণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। বাঙালি জাতির ইতিহাসে এক বেদনাঘন দিন। ১৯৭১ সনের এ দিনে হানাদার পাকিস্তানী ঘাতক বাহিনী পরাজয় আছ করতে পেরে এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে মেতে ছিল। তারা রাজাকার-আলবদর-আলশামস বাহিনীর সহযোগিতায় এ দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের নির্মমভাবে হত্যা করে। তারা বেছে বেছে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, দার্শণিক ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অগ্রগন্য মানুষদের ঘর-বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। পাকিস্তানী ঘাতকদের এই বরবর হত্যাকান্ডে নিহত শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে ৯ টায় জাকির হোসেন রোডস্থ ফয়েজলেকের পার্শ্বস্থ বধ্যভূমিতে শহীদ স্মৃতি মিনারে পুষ্প দিয়ে এবং ১ মিনিট নিরবে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় বধ্যভূমিতে সমবেত নাগরিকদের উদ্দেশ্যে মেয়র বলেন, পাকহানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে জাতিকে মেধা শুন্য ও পঙ্গু করতে বাংলাদেশের বরেণ্য সব ব্যক্তিদের রাতের অন্ধকারে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করে। জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানদের আজ আমরা গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। একই সঙ্গে সহমর্মিতা প্রকাশ করছি শহীদ বুদ্ধিজীবী পরিবারের সজনদের প্রতি। মেয়র বলেন,  বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী হিসেবে ইতিমধ্যে কয়েকজনের বিচারের রায় দিয়েছে আদালত এবং সর্বোচ্চ আদালতের চূড়ান্ত রায়ে কয়েকজনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। বাকীদের বিচার সম্পূর্ণ করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশকে পাপ মুক্ত করতে হবে। তিনি সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে স্বাধীনতা বিরোধীদের প্রতিহত করার আহবান জানান। এ সময় মেয়রের সাথে কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিসেস আবিদা আজাদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, ভারপ্রাপ্ত সচিব ও প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, মেয়রের একান্ত সচিব মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক, আওয়ামীলীগ নেতা বেলাল আহমদ, চসিক জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম, শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুর রহমানসহ চসিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

চট্টগ্রাম- ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭খ্রি.

মহান বিজয় দিবসে মেয়রের বাণী

৪৭ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এক বাণীতে বলেন, “বাঙালির জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায় ১৯৭১ সনের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তিযুদ্ধ। হাজার বছরের পরাধীন বাঙালি বারবার লড়াই করেছে শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনার বিরুদ্ধে স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। বাঙালি জাতি চেয়েছে নিজস্ব পরিচয় ও চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ হয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে। বাঙালি জাতিকে তার ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্যও লড়াই করতে হয়েছে। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলনে নিজেদের বুকের রক্ত দিয়ে মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার আদায় করে নেয়া বাঙালি আর রাজপথ ছাড়েনি। পাকিস্তানি অপশাসনে নিপীড়িত, অত্যাচারিত এদেশের আপামর মানুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ সংগ্রামের পথ বেয়ে অবশেষে ১৯৭১ সনের মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রাম। ১৯৭১ সনের ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানের জনসমাবেশে দেয়া বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণাকে হৃদয়ে ধারণ করে দীর্ঘ নয় মাসের প্রাণপণ লড়াই শেষে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল এ জাতি। ১৯৭১ সনের ২৫ মার্চের কাল রাত্রি থেকে শুরু হয়ে মুক্তিযুদ্ধের পরিসমাপ্তি তথা স্বাধীন র্সাবভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে ১৬ ডিসেম্বর হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে। আজ এই মহান বিজয়ের দিনে আমি সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি ত্রিশ লক্ষ শহীদ ও দুইলক্ষাধিক সম্ভ্রম হারানো মা-বোনকে। শ্রদ্ধা জানাচ্ছি অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধাদের। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ভিশন ২০২১রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কাংখিত উন্নতির দিকে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ পদক্ষেপে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিভিন্ন সুচকে অনেক দুর অগ্রসর হয়েছে। এ উন্নয়ন আজ আমাদের বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম করেছে। বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে আরো সমৃদ্ধ ও স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে আত্মনিয়োগ করতে হবে সবাইকে। আমাদের সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আগামীর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে নিশ্চিত- ইনশাআল্লাহ। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। 

 

চট্টগ্রাম- ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, অটোমেশন ও ই-ফাইলিং এ উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ টু আই প্রকল্পে কর্মকর্তাদের সাথে

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের মতবিনিময়

স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার আওতায় এবং ডিজিটাল বাংলাদেশের কনসেপ্ট অনুযায়ী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, অটোমেশন ও ই-ফাইলিং এ উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ টু আই প্রকল্পে কর্মকর্তাদের সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভা ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. বৃহস্পতিবার, বিকালে নগরভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ টু আই প্রকল্পের ডিরেক্টর ইনোবেশন মো. মুস্তাফিজুর রহমান, ইনোবেশন স্পেশালিষ্ট সাহিদা সুলতানা, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ, প্রধান হিসাব রক্ষন কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম,প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ এ কে এম রেজাউল করিম, ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আলী, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম ও আইটি কর্মকর্তা মো. ইকবাল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময়ে অটোমেশন ও ই-ফাইলিং এ উন্নয়নে কর্মপরিকল্পনা পাওয়ার পয়েন্টে উপস্থাপন করা হয়। 

 

 

চট্টগ্রাম- ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭খ্রি.

৪৭ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, পুরষ্কার বিতরণ,

কুচকাওয়াজ সহ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ব্যাপক কর্মসূচি

৪৭ তম মহান বিজয় দিবস ২০১৭ খ্রি. উদ্যাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করেছে। কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস শনিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে  কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পন, সকাল ৮ টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চত্বরে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ, একই দিন কর্পোরেশনভূক্ত বিদ্যালয় ও কলেজসমূহের স্কাউট, গার্লস গাইড, রোভার-রেঞ্জার, কাব এবং ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে কর্ণফুলী সেতু সংলগ্ন বাকলিয়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্টেডিয়ামে সকাল ৮ টা ৩০ মিনিটে প্যারেড পরিদর্শন, কুচকাওয়াজ ও সালাম গ্রহণ এবং সকাল ৮ টা ৫৫ মিনিটে ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হবে। এই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সালাম গ্রহণ করবেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। পরে সিটি মেয়র কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লেতে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করবেন। 

এ ছাড়াও ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. শনিবার, বিকেল ৩ টায় কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরভবনে পার্কিং স্পটে চিত্রাংকন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এছাড়াও ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. রবিবার বেলা ১১ টায় নগরীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউশনে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হবে। এতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সভাপতিত্ব করবেন।

 

চট্টগ্রাম- ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭খ্রি.

বীর মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান

ইফকো কমপ্লেক্সের স্বত্ত্বাধিকারী রোটারিয়ান

এ এস এম মরতুজা হোসাইন এর মৃত্যুতে-- মেয়রের শোক

বীর মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ইফকো কমপ্লেক্সের স্বত্ত্বাধিকারী রোটারিয়ান এ এস এম মরতুজা হোসাইন এর মৃত্যুতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. বৃহস্পতিবার, এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শোক সন্তপ্ত পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা জানান।

 

চট্টগ্রাম-  ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি.

হালিশহর আলহাজ্ব মহব্বত আলী সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় নতুন ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রামকে নামে নয় কাজে বন্দর নগরী হিসেবে গড়তে চাই

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, চট্টগ্রামকে নামে নয় কাজে বন্দর নগরী হিসেবে গড়তে চাই। আশা করা যাচ্ছে ২০১৮ সনের শেষে চট্টগ্রাম নগরীতে দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে। পরিবেশ বান্ধব, স্বাস্থ্য সম্মত নগরী গড়ার লক্ষ্যে বিলবোর্ড অপসারন,অবকাঠামোগত উন্নয়ন, আবর্জনা ব্যবস্থাপনা, হকার নিয়ন্ত্রন, আলোকিত নগরী গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও পরিবর্তন যাদের চোখে দৃশ্যমান নয় তারা মূলত চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রত্যাশা করে না। মেয়র বলেন, আমাকে ব্যর্থ প্রমান করতে হলে মেয়াদের শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মেয়াদ শেষে ভালমন্দ বা সফলতা-বিফলতার বিচার করবে নগরবাসী। যদি দিন শেষে ব্যর্থ হই দায়ভার নিয়ে সরে পড়ব। আজ যারা ইসলামের ভাষায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমকে নিয়ে গিবত করছে তারা ইসলাম এর পরিভাষায় পাপ কাজে লিপ্ত। আমি আশা করি গিবত বন্ধ করে ভালমন্দের যাচাই বাছাই করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার জন্য সকলে সচেষ্ট হলে চট্টগ্রামবাসী উপকৃত হবে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, কেবল চট্টগ্রাম নয় সারা বাংরলাদেশের উন্নয়ন বিশ্বে আজ রোল মডেল। জনগণের সহযোগিতায় ভ্যাট ও ট্যাক্সের বিনিময়ে দৃশ্যমান পরিবর্তন হচ্ছে বাংলাদেশের। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম নগরীকে ডাষ্টবিনমুক্ত নগরী, এলইডি লাইটিং দ্বারা আলোকিত নগরী এবং কাঁচা ও সলিন রাস্তা সমূহকে উন্নয়ণ করে কার্পেটিং করা হবে। আ জ ম নাছির উদ্দীন প্রসঙ্গক্রমে আরো বলেন, সরকার ও জাইকার মাধ্যমে ২য় ব্যাচে ৪ শত ৩৫ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ পরিচালিত হবে। তার অংশ হিসেবে হালিশহর আলহাজ্ব মহব্বত আলী সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষা ভবন কাম সাইক্লোন সেন্টার ৭ কোটি ৩৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ২ শত ৩৬ টাকার বিনিময়ে ৬ তলা ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ভবনটি নির্মিত হলে অসংখ্য ছেলে মেয়ে শিক্ষার সুযোগ পাবে। তিনি শিক্ষার্থীদের মাদক ও দূর্ণীতির কুফল প্রসঙ্গে শিক্ষা প্রদান এবং নীতি নৈতিকতা ও মূল্যবোধ সম্পন্ন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহবান জানান। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. বুধবার, বিকেলে হালিশহর আলহাজ্ব মহব্বত আলী সিটি কর্পোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় নতুন ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধন এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে মেয়র এ আহবান জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, স্কুল পরিচালনা কমিটির সদস্য হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক কমিশনার হাজী মোহাম্মদ হোসেন, শিক্ষা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক, ২৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আবুল হাশেম, প্রধান শিক্ষা কমকর্তা নাজিয়া শিরিন, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সালেহ। অনুষ্ঠানে ১১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী, ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর এস এম এরশাদ উল্লাহ, ৩৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শফিউল আলম, চসিক নির্বাহী প্রকৌশলী অসিম বড়ুয়া, বিপ্লব দাশ, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম। অনুষ্ঠানের পুর্বে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন অত্র বিদ্যালয়ের নতুন ভবন কাম সাইক্লোন সেন্টার এর ভিত্তি ফলক উম্মোচন এবং মোনাজাত করেন। অনুষ্ঠান শেষে মেয়র কৃতি শিক্ষার্থী ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা