Press Release 17-12-2017

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

 

জনসংযোগ শাখা

 

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

চট্টগ্রাম-১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি.

 

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৫০ জন

 

বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করলো  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

 

৪৭ তম মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি. রবিবার, বেলা ১১ টায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউট মিলনায়তনে ১৫০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করল চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। স্বপরিবারে মুক্তিযোদ্ধাদের সরব উপস্থিতিতে বিরল এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যেককে নগদ ১০ হাজার টাকা, সম্মাননা ক্রেষ্ট ও সনদ এবং ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধিত করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভারতের সহকারী হাই কমিশনার শ্রী অনিন্দ্য ব্যানার্জী,  রাশিয়ার একটিং কনসুল জেনারেল ভিশে-স্লাব জাখারব (Mr.Viacheslav Jakharb), বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ইউনিট এবং সাবেক কমান্ডার মোজাফফর আহমদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা। অনুষ্ঠান মঞ্চে প্যানেল মেয়র মিসেস জোবাইরা নার্গিস খান ও প্রফেসর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু উপবিষ্ট ছিলেন।  অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন, গীতা ও ত্রিপিটক থেকে পাঠ করা হয়। অনুষ্ঠানে সাবেক মেয়র এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সময় নিরবে দাঁড়িয়ে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে জাতির পিতার ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট, মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ইত্যাদি বিষয়ে একটি প্রামান্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। সভার সভাপতি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ করে বলেন, দায়িত্ব গ্রহণ করার পরই অবহেলিত ও অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের দূর্দশার কথা বিবেচনায় এনে ৫০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে ঘর তৈরী করে দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় তৎমধ্যে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে ১০ জন মুক্তিযোদ্ধার জন্য ১০টি গৃহনির্মাণের কার্যক্রম চলমান আছে। বাকিদের মেয়াদের মধ্যে গৃহনির্মাণ করে দেয়া হবে। বীরমুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাঁদের মধ্যে যারা নিঃস্ব বা অভাবগ্রস্থ তাদের পাশে ব্যক্তিগতভাবেও আমি সহযোগী হিসেবে পাশে থাকব। মেয়র বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধার কোন সন্তান বিপদগামী হতে পারে না। স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের সাথে কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আপোষ করতে পারে না। তিনি মুক্তিযোদ্ধা, তাদের পরিবারের সদস্য সকলকে সন্তানদের প্রতি নজর রাখার পরামর্শ দিয়ে বলেন, দেশে স্বাধীনতা বিরোধীদের পৃষ্টপোষকতা দেয়ার জন্য অসংখ্য সংগঠন কাজ করছে।

 

তাদের খপ্পরে যাতে কোন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না পরে সে বিষয়ে সুদৃষ্টি রাখতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনা দায়িত্ব গ্রহণ করার পর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সবিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর আমলে মুক্তিযোদ্ধা, খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারসহ বিরঙ্গণাদের মুক্তিযোদ্ধা উপাধী প্রদান করে ভাতা চালু করেছে। তাছাড়াও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনীদের সরকারি চাকুরীতে নিয়োগের কোটা চালু করেছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সরকার দেশ পরিচালনা করছে। এ সময় মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার সকলকে দেশপ্রেমের পরীক্ষায় আরো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার আহবান জানান। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বিধিবদ্ধ আইনদ্বারা পরিচালিত হয়। খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের হোল্ডিং ট্যাক্স বিষয়ে সরকারের গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে যেসকল সুবিধা নিশ্চিত করেছে সে আলোকে চটগ্রাম সিটি কর্পোরেশনও নগরীর খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের হোল্ডিং ট্যাক্স থেকে ছাড় দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে। এছাড়াও দরিদ্র ও হতদরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ নাগরিকদেরকে হোল্ডিং ট্যাক্সের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে। সীমিত আয়ের নাগরিকদের হোল্ডিং ট্যাক্স সীমিত আকারে ধার্য্য করা হয়েছে। মেয়র বলেন, চট্টগ্রামে স্মৃতি সৌধ নির্মাণ করা হবে। আধুনিক স্থাপত্যের ভিত্তিতে স্মৃতি সৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের রয়েছে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত সকল জায়গা সংরক্ষণ করার পরিকল্পনাও সিটি কর্পোরেশনের রয়েছে।

 

 

 

চট্টগ্রাম-১৭ ডিসেম্বর ২০১৭ খ্রি.

 

৪৭ তম মহান বিজয় দিবসে সিটি কর্পোরেশনের কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও পুরষ্কার বিতরণ, শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন মুক্তিযুদ্ধ হাজার বছরের বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ গৌরব ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন

 

বাঙালি হাজার বছরের স্বপ্নে স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে ৪৭ তম  বিজয়ের দিন আজ ১৬ ডিসেম্বর ২০১৭খ্রি.। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে। এ উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নেতৃত্বে কাউন্সিলর এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ চট্টগ্রাম কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে শহীদ বেদীতে স্বাধীনতার শহীদদের স্মৃতির প্রতি ফুল দিয়ে এবং নগর ভবনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে দিনব্যাপি কমসূচির সুচনা করেন। এ সময় প্যানেল মেয়র নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাউন্সিলর তারেক সোলায়মান সেলিম, নাজমুল হক ডিউক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, এইচ এম সোহেল, শৈবাল দাশ সুমন, সাহেদ ইকবাল বাবু, জহুরুল আলম জসিম, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিসেস আবিদা আজাদ, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলীসহ বিভাগীয় ও শাখা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগাম সিটি কর্পোরেশনের সকল প্রতিষ্ঠানের ভবন সমূহে আলোক সজ্জা এবং ভোরে প্রধান কার্যালয়সহ সবগুলো স্থাপনায় জাতীয় ও কর্পোরেশনের পতাকা উত্তোলন করা হয়। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বাকলিয়া সিটি কর্পোরেশন ষ্টেডিয়ামে কর্পোরেশন ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের স্কাউট, গালর্স গাইড, রোভার রেঞ্জার, কাব দল ও ছাত্র ছাত্রীদের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ এবং ছাত্র-ছাত্রীদের মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করেন। কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে শেষে  বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।  পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্যানেল মেয়র নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু, কাউন্সিলর হাজী নুরুল হক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, তারেক সোলায়মান সেলিম, মো. গিয়াস উদ্দিন, শৈবাল দাশ সুমন, মিসেস আবিদা আজাদ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড.মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, মেয়রের একান্ত সচিব মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট মিসেস জাহানারা ফেরদৌস, উপসচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম, শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুর রহমান, সিদ্ধার্থ করসহ চসিক এর প্রকৌশলীবৃন্দ এবং শাখা প্রধান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আয়োজিত চিত্রাংকন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, চিত্রাংকন, সাধারণ নৃত্য, লোকনৃত্য, আবৃতি, রবীন্দ্র সংগিত, নজরুল সংগীত, দেশের গান, লোক সংগিতসহ ১০ টি বিষয়ের প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে চসিক প্রধান কার্যালয়ের পার্কিং স্পটে পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. সামসুদ্দোহা। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক। মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন প্যানেল মেয়র মিসেস জোবাইরা নার্গিস খান, কাউন্সিলর সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, হাসান মুরাদ বিপ্লব, মিসেস আঞ্জুমান আরা বেগম, জেসমিন পারভীন জেসি, ভারপ্রাপ্ত সচিব ড.মুহম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান,প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা নাজিয়া শিরিন, উপ সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিমসহ অন্যরা। পরে মেয়র সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন। ডিসপ্লে ও কুচকাওয়াজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মুক্তিযুদ্ধ হাজার বছরের বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ গৌরব ও মুক্তিযুদ্ধের বিজয় বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সহ ১৯৭১ থেকে আজোবদি সকল শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ৪৬ বছর আগে এদিনে  অপ্রতিরোধ্য মুক্তিযোদ্ধারা দেশের জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে স্বাধীনতাকামী সকল মানুষের সর্বাত্মক সহযোগিতায় পাকিস্তানি ঔপনিবেশক শাসনের শৃংখল ছিন্ন করে অর্জন করেছিল একটি সার্বভৌম ভুখন্ড যা বিশ্ব মানচিত্রে খোদিত হলো বাংলাদেশ। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জাতির পিতার বলিষ্ঠ ও  আপোষহীন নেতৃত্বে ১৯৫২ সনের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ সনের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সনের ৬ দফা, ১৯৬৯ সনে ৬ ও ১১ দফার আন্দোলন ও গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতার ক্ষেত্র তৈরী করা হয় এবং ১৯৭০ সনের সাধারণ নির্বাচনে বিজয়ের  মাধ্যমে বাঙালি বৈধ ভিত্তি অর্জন করে। ১৯৭১ সনের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানের জনসমুেদ্র দাঁড়িয়ে জাতির পিতা দৃপ্ত কন্ঠে ঘোষনা দেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রামএ থেকেই বাঙালি স্বাধীন হওয়ার জন্য প্রস্তুতি নেন। ১৯৭১ সনের ১৬ ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর নিকট পরাজিত হয়ে পাক সামরিক জান্তা আত্মসমর্পন করে। জাতি পায় স্বাধীন রাষ্ট্র, নিজস্ব পতাকা ও জাতীয় সংগীত। যুদ্ধ করে ও জীবন দিয়ে বাঙালি জাতি বিশ্বে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করে। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ১৯৭৫ সনে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় জাতির পিতাকে স্বপরিবারে শহীদ হতে হয়। একই বছর ৩ নভেম্বর জেল খানায় জাতীয় চারনেতাদের নৃশংসভাবে হত্যা এবং দেশে মার্শাল লজারী করে গণতন্ত্রও হত্যা করা হয়। অবৈধ সরকার দেশ পরিচালনা করে, সংবিধান বহুবার ক্ষত বিক্ষত করে। সেই সময় সংবাদ পত্রের স্বাধীনতাও রুদ্ধ করা হয়। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ১৯৯৬ সনে সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। বাংলাদেশের জনগণ আজ মুক্ত। আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার প্রয়াস চলছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্ব সকলকে নিতে হবে। মেয়র আশা করেন. বীর চট্টলার আপামর জনগণ গণতন্ত্র ও উণœয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষায় সচেষ্ট হবেন এবং বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বর্তমান প্রজন্ম বহণ করে আগামী প্রজন্মের হাতে তুলে দেবেন।

 

 

 

সংবাদদাতা

 

মো. আবদুর রহিম

 

জনসংযোগ কর্মকর্তা