Press Release 22-06-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

চট্টগ্রাম।

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

চট্টগ্রাম-২২ জুন ২০১৮ইংরেজী

চট্টগ্রাম ৪র্থ আর্ন্তজাতিক যোগ দিবস পালিত

৪র্থ আর্ন্তজাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে নগরীর নন্দনকাননস্থ রাইফেল ক্লাব অডিটোরিমে আজ সকালে এক বণাট্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চট্টগ্রামস্থ ভারতীয় দূতাবাস চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র .. নাছির উদ্দীন প্রধান অতিথি এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক .ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারী শুভাশিষ সিনহা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে ভারতীয় দুতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার শ্রী অনিন্দ্য ব্যানাজীর সভাপতিত্ব করেন। সিটি মেয়র,ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনারসহ প্রায় ৫শতাধিক নারী-পুুরুষ ইয়োগাতে অংশগ্রহন করেন।   

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র বলেন, ইয়োগা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ প্রশমন এবং  স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে। তাই ইয়োগার বিকাশে তিনি সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান। এই অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়। সিটি মেয়র বলেন, বর্তমানে বৈশ্বিকভাবে আমরা অস্থির সময়ের মধ্যে দিনাতিপাত করছি। প্রতিনিয়ত আমাদেরকে বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। প্রযুক্তি প্রচারের কারণে আমাদের সন্তানেরা খেলাধূলা শারীরিক পরিশ্রম পরিহার করে দীর্ঘ সময় ইন্টারনেট- সময় কাটাচ্ছে। ফলে আমরা সবসময় দুশ্চিন্তার মধ্য আছি। সন্তানেরা বিভিন্ন শারীরিক মানসিক সমস্যায়  পতিত হচ্ছে। এই অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য ইয়োগাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাা পালন করতে পারবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন সর্বজনবিদিত যে ইয়োাগা মানুষের ভেতরের শক্তিকে সুষমভাবে বিকাশিত করে সম্পূর্ণ আত্মউপলদ্ধিকে উপনীত হতে সাহায্য করে। তাই মেডিকেল সাইন্স এর বিভিন্ন শাখার বিশেষজ্ঞগনের বিশ্বাস যে, বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ প্রশমন এবং স্বাস্থ্য  উন্নয়নে ইয়োগা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে। মেয়র বলেন ভারতের এক প্রস্তাবে ২০১৪ সালের ১১ই ডিসেম্বর ১৭৭টি দেশের সমর্থনে জাতিসংঘে এই প্রস্তাবটি গৃহীত হয় তারই ধারা বাহিকতায় প্রতিবৎসর ২১ জুন সারাবিশ্বে ইয়োগা দিবস হিসেবে প্রতি পালিত হচ্ছে। মেয়র অতিথি,সংবাদিকবৃন্দ   ইয়োগা প্রশিক্ষণে যোগদানকারী সকলকে ধন্যবাদ জানান। পরে মেয়র ইয়োগায় অনুশীলনে অংশগ্রহন করেন। ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস থেকে আগত ইয়োগা শিক্ষিকা মাম্পি দে  অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে ৪০ মিনিট ইয়োগা অনুশিলন করান

 

 

 

চট্টগ্রাম-২২ জুন ২০১৮ইংরেজী

১৫ জুলাই থেকে বদর শাহ পুকুর সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ শুরু হচ্ছে প্রকল্পের ব্যয় কোটি ৬৪ লাখ টাকা

জন আবেদনমুখি এবং ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বদর শাহ পুকুরটি সংস্কার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নিলেন সিটি মেয়র নাছির উদ্দীন। এজন্য তিনি কোটি ৬৪ লাখ টাকার ব্যয়ের একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। আগামী ১৫ জুলাই থেকে পুকুরের সংস্কার আধুনিকায়নের কাজ শুরু হবে। আজ দুপুরে শাহ সুফি হযরত আমানত খান (.) এর মাজার মোতোয়াল্লির বাসভবনে সিটি মেয়রের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তথ্য প্রকাশ করেন। বৈঠকে সাংসদ আশেক উল্লাহ চৌধুরী, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক,হযরত শাহ সুফি আমানত খান (.) মাজার মোতোয়াল্লি এফ কিউ খান,বেলায়েত উল্লাহ খান, শওকত আলী খান, আন্দরিকল্লা ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফরহাদুল আলম, মোহাম্মদ দিদারুল আলম, মহিউদ্দিন শাহ, জানে আলম, হাবিব উল্লাহ, এজাজ মিয়া, বাবরু মিয়া, বশর, সাদ্দাম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।এ প্রকল্পের আওতায় বদর পুকুর সংস্কার,পুকুরের চারপাশে ওয়াকওয়ে,বসার স্থান, গাছ-গাছালি রোপন, ৪টি পুকুর ঘাট, পুকুরের মাঝখানে সুদৃশ্য ফোয়ারা নির্মাণ, চারিদিকে  ড্রেনেজ ব্যবস্থা, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা,সোলার প্যানেল স্থাপন, বদর শাহ মাজার সংলগ্ন স্থানে টাইলস প্রতিস্থাপন,রাস্তা টয়লেট নির্মাণ, আলোকায়ন এবং সুপেয় পানি সরবরাহ ব্যবস্থা অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। এসময় উপস্থিত স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সাথে আলাপকালে সিটি মেয়র বলেন,আমরা ছোটকাল থেকেই বদর শাহ পুকুরটি দেখে আসছি। বর্তমানে নানা ধরণের অব্যবস্থাপনা,অবহেলা আর জনগণের অসচেতন ব্যবহারের কারণে পুকুরটির অবস্থা একেবারে শোচনীয়। অথচ চট্টগ্রামসহ অত্র অঞ্চলে এই পুকুরটির ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। পুকুরটিকে সংস্কার আধুনিকায়ন করে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে রূপ দেয়া হবে। ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যময় স্থান হিসেবে রূপ দেয়ার পাশাপাশি এটি নগরের একটি পর্যটন কেন্দ্র  হিসেবে নতুন পরিচিতি লাভ করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। আগামী আনুমানিক চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যেই কাজ শেষ হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন চট্টগ্রামসহ অত্র অঞ্চলে এই পুকুরটির ধর্মীয় গুরুত্ব রয়েছে। পুকুরটিকে সংস্কার আধুনিকায়ন করে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে সাজানো হলে অতীতের  ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্যময় স্থান  এবং নগরের একটি পর্যটন কেন্দ্র  হিসেবে নতুন পরিচিতি লাভ করবে। 

 

সংবাদদাতা

রফিকুল ইসলাম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন