Press Release 25-12-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

জনসংযোগ শাখা

চট্টগ্রাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

পাথরঘাটা গির্জায় শুভ বড়দিনের কেক কাটলেন সিটি মেয়র

 

চট্টগ্রাম ২৫শে  ডিসেম্বর২০১৮ইং

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব  বড়দিন উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর পাথরঘাটা গির্জায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে  কেক কাটলেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব ...নাছির উদ্দীন এই উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায়  নগরীর পাথরঘাটাা গির্জায় এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। কেক কাটা অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব ...নাছির উদ্দীন ছাড়াও ফাদার আর্চ বিশপ মজেশ ডি কস্তা,চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব,সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর বেগম লুৎফুন্নেসা দোভাষ বেবী,রাজনীতিক হাজী মোহাম্মদ বেলাল , সিটি মেয়র সহকারী একান্ত সচিব রায়হান ইউসুফসহ বিভিন্ন ধর্মের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।  সিটি মেয়র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন এদেশের সব মানুষ আবহমান নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছে। তারা বিপদে আপদে একে অপরের পাশে এসে দাঁড়ায়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  সাম্প্রদায়িকতাকে প্রতিহত করে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় রাষ্ঠ প্রতিষ্ঠার জন্য এদেশের  সকল মানুষকে একত্রিত করেছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে মহান মুক্তিযুদ্ধে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান মুসলমানদের রক্তস্রোতে এদেশের অভ্যুদ্বয় হয়েছে বলে উল্লেখ করে মেয়র বলেন মুক্তিযুুদ্ধের  এই সম্প্রীতি  বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না ,আন্তর্জাতিকভাবে সম্প্রীতি গড়ে উঠেছিল সম্প্রীতিই বাংলাদেশের মুলমন্ত্র ।এই মন্ত্রেই উজ্জীবিত হয়ে আমাদের প্রিয় দেশকে সাজিয়ে তোলার কথা ব্যক্ত করেন মেয়র। তিনি বলেন বড়দিন শুধু একটি উৎসব নয়।সৌহার্দ্যের একটি অন্যতম উদাহরণ। ধর্ম যার যার ,উৎসব সবার। বাংলাদেশর সকল মানুষ এই নীতিতে  বিশ্বাস করে থাকে। তাই ধর্ম বর্ন নিবিশেষে  আমরা সকলে একের অন্যের  উৎসবে অংশগ্রহন করে থাকি। আজ পবিত্র দিনে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রতি মেয়র আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানান।

এসময় বিশপ মজেশ ডি কস্তা বলেন দুহাজার বছরেরও বেশী সময় আগে এদিনে খ্রিষ্ঠ ধর্মের প্রবর্তক মহামানব যিশু জম্ম হয়। হিংসা বিদ্বেষ,অন্যায় অত্যাচার পাপাচারে নিমিজ্জিত মানুষকে সুপথে আনার জন্যই যিশু অভিভুত হয়েছিলেন। যিশু জম্ম দিন তাই শুধু খ্রিষ্ঠান সম্প্রদায়ের জন্য নয়সারা মানবজাতির জন্যই একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। যিশু খ্রিষ্ট সারাজীবন আর্ত মানবতার সেবা, ত্যাগ শান্তির আর্দশ প্রচার করে গেছেন। হিংসা বিদ্বেষ ভুলে তিনি সবাইকে শান্তি সম্প্রীতি মানবতার বন্ধনে আমন্ত্রণ জানিয়ে ছিলেন। বড়দিন প্রত্যেক মানুষকে শান্তি প্রেম সম্প্রীতির শিক্ষা দেয় বলে তিনি  উল্লেখ করেন।