Press Release 26-01-2019

 

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন 

জনসংযোগ শাখা 

চট্টগ্রাম।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আন্ত: স্কুল মাদ্রসার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় মেয়র

পরীক্ষামুখী নয় নৈতিক

মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ চাই

চট্টগ্রাম-২৬ জানুয়ারি-২০১৯ ইংরেজী

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম খেলাধুলার ব্যবস্থা করা গেলে তারা সত্যিকারের পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে গড়ে উঠবে। বর্তমানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষামুখী হওয়ায়, নৈতিক মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ সৃষ্টি হচ্ছে না। অসম প্রতিযোগিতায় একদল দক্ষ মানুষ তৈরি হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তাদের মধ্যে দেশপ্রেম সমাজের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা প্রতিফলিত হয় না। মানুষের মাঝে সত্যিকারের নৈতিকতাবোধ জাগ্রত হলেই দেশ সমৃদ্ধি হবে। তিনি আজ শনিবার সকালে চট্টগ্রাম এম আজিজ স্টেডিয়াম মাঠে বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদ্রাসা কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতি আয়োজনে মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম এর ব্যবস্থাপনায় ৪৮ তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ২০১৯ সমাপনী পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কথা বলেন। মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রফেসর সাহেদা ইসলাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচারিক প্রফেসর প্রদীপ চক্রবত্তী, মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রাম এর সচিব প্রফেসর সওকত আলম বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বাংলাদেশ এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুছ সালাম। ৪৮তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ২০১৯ ৩৯টি ইভেন্টে প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৮০৮ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করে। তৎমধ্যে ৪৬৪জন ছাত্র এবং ৩৪৪ জন ছাত্রী রয়েছে। ইভেন্টের মধ্যে হকি, ক্রিকেট, বাস্কেট বল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস রয়েছে। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র আরো বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীন করেছেন। কিন্তু অর্থনৈতিক মুক্তি দিয়ে যেতে পারেন নি। তার আগেই তাকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়। তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জনগণকে অর্থনৈতিক মুক্তি দিতে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বমানের নাগরিক সৃষ্টি করার প্রয়াসে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর করে ঢেলে সাজানোর জন্য নানা প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছেন। লক্ষ্যে নাগরিক হিসেবে আমাদের অভিভাবক শিক্ষক সমাজকে নিজ দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করতে হবে। উল্লেখ্য খুলনা বরিশাল শিক্ষা উপ-অঞ্চল নিয়ে গঠিত গোলাপ অঞ্চল জাতীয় স্কুল, মাদরাসা কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির শীতকালীন আসরের অ্যাথলেটিক্স শিরোপা অক্ষুন্ন রেখেছে। টানা এক যুগ ধরে এই অঞ্চলের ক্রীড়াবিদরা অ্যাথলেটিক্সের ট্র্যাকে রাজত্ব করে আসছে। এখনও তাদের ১২ বছরের রেকর্ড ভাঙ্গতে পারেনি অন্য কোন অঞ্চল। গত ২২ জানুয়ারি থেকে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে শুরু হওয়া ৪৮তম শীতকালীন ক্রীড়া আসরের অ্যাথলেটিক্সে ২৯৩ পয়েন্ট লাভ করে এই কৃতিত্ব দেখায় গোলাপ অঞ্চল। পাঁচদিনের এই আসরে রানার্সআপ ট্রফি লাভ করে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা সিলেট শিক্ষা উপ-অঞ্চল নিয়ে গঠিত বকুল অঞ্চল। বান্দরবানের কোয়ান্টাম কসমো স্কুল, নোয়াখালীর আহমদিয়া আদর্শ স্কুল ফেনীর বিষ্ণুপুর স্কুলের ক্রীড়াবিদদের কল্যাণে বেশ কয়েক বছর পর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসতে সক্ষম হয়। চার অঞ্চলের মধ্যে বকুল অর্জন ১৪৫ পয়েন্ট। এছাড়া চার অঞ্চলের ক্রীড়াবিদদের মধ্যে খুলনার দিখলিয়া ফাতেমা মেমোরিয়াল স্কুলের ছাত্র ইকরামুল হোসেন, বান্দরবানের কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ছাত্র জুবাইল ইসলাম বালক বড় গ্রæপে। খুলনার বয়রা মাধ্যমিক স্কুলের ছাত্র রফিকুল ইসলাম, নড়াইলের লোহাগড়া সরকারি পাইলট স্কুলের ছাত্র মাহাফুজ হোসাইন বালক মধ্যম গ্রæপে। ঝিনাইদহের ফজর আলী গালর্স স্কুলের ছাত্রী জুয়ায়রিয়া ফেরদৌস নড়াইলের লোহাগড়া পাইলট সরকারি স্কুলের ছাত্রী নমিতা কর্মকার বালিকা বড় গ্রæপে। মানিকগঞ্জের রাজিবপুর বহুমুখী স্কুলের ছাত্রী কবুরী আক্তার ঝিনাইদহের ফজর আলী গালর্স স্কুলের ছাত্রী নাদিরা আক্তার বালিকা মধ্যম গ্রæপে ব্যক্তিগত নৈপুন্যের কারণে সেরা ক্রীড়াবিদের খেতাব লাভ করেন। পরে মেয়র চ্যাম্পিয়ন রানার্সআপ খেলোয়াড়দের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম, মাউশি পরিচালক প্রফেসর আবদুল মালেক, প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্তী, সাংগঠনিক কমিটির সভাপতি আয়োজক বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহেদা ইসলাম, সাংগঠনিক কমিটির সদস্য সচিব প্রফেসর শওকত আলম, জাতীয় স্কুল, মাদরাসা কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির সম্পাদক মো. আবদুস সালাম, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাহবুব হাসান, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর জাহেদুল হক, বিদ্যালয় পরিদর্শক প্রফেসর মো. আবু তাহের, সহকারি মূল্যায়ণ অফিসার . শুক্লা রক্ষিত প্রমুখ। সহযোগিতায় ছিলেন মাউশি শারীরিক বিভাগের ক্রীড়া সংগঠক রাশেদ মজুমদার, মো. আলমগীর, গোলাম মোস্তফা, রাজু মজুমদার প্রমুখ।

 

চট্টগ্রামে SDG বিষয়ক Policy Dialogue এর সভায় মেয়র

২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশ তার

অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে

চট্টগ্রাম-২৬ জানুয়ারি-২০১৯ ইংরেজী

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র নাছির উদ্দীন বলেছেন, সকলকে বাদ না দিয়ে সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে এগিয়ে যাওয়ায় হচ্ছে টেকসই উন্নয়ন তথা এসডিজি প্রধান লক্ষ্য। কারোর সহায়তা নয়, নিজের শক্তিতে এসডিজির লক্ষ্য সমূহ বাস্তবায়ন করতে হবে। লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ।এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৩০ সালের আগেই বাংলাদেশ তার অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হবে বলে মেয়র প্রত্যাশা করেন। তিনি আজ শনিবার সকালে হোটেল রেডিসন ব্লু-তে আয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান রেফিউজি এন্ড মাইগ্রেটারি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিট (রামরু) কর্তৃক আয়োজিত ÒIncorporating SDG into chattogram city Development plan” বিষয়ক Policy Dialogue এর সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে  অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রফেসর রামরু সংস্থার চেয়ারম্যান অধ্যাপক . তাসনিম সিদ্দিকী, স্থপতি জেরিনা হোসাইন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, বাংলাদেশ সরকার এসডিজি বাস্তবায়নে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ৫ম বার্ষিকী পরিকল্পনা লক্ষ্যমাত্রা সমূহ এসডিজি আলোকে নির্ধারণ করা হয়েছে। তাই পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অর্থই হবে এসডিজি বাস্তবায়নের ভিত্তিভূমিকে মজবুত করা। এরই মধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি এসডিজির বাস্তবায়ন সমš^ সেল স্থাপন করা হয়েছে। প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে অতি-দারিদ্র পুরোপুরি নিরসন এবং সার্বিক দারিদ্র অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্যকে পূরণ করা হবে চ্যালেঞ্জিং। বর্তমানে বাংলাদেশের দারিদ্রের হার ২২ শতাংশের মত। এই হারকে ২০৩০ সালের নাগাদ ১১ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। ছাড়া বর্তমানে অতি দারিদ্রের হার ১২ শতাংশের মত। এই বিপুল সংখ্যক অতি দারিদ্র মানুষকে সামাজিক সুরক্ষা দিয়ে পুরোপুরি দারিদ্রম্ক্তু করার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে সরকার। তিনি বলেন, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার মত শক্তি সামর্থ বাংলাদেশে রয়েছে। বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গরিব-হিতৈষী নীতি কৌশলের ফলে দেশের গরীব দুঃখী মানুষ তাদের বঞ্চনা দুর্বস্থা থেকে উত্তরণ পেয়েছে। মেয়র সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রার ইশতেয়ার আওয়ামী লীগের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রতিটি গ্রামই হবে শহর। শহর গ্রামের মধ্যে কোন ভেদাভেদ থাকবে না। শহরে যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, বর্তমান সরকারের মেয়াদে শহরের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হবে। এতে করে গ্রামের মানুষকে শহরমুখী হতে হবে না। তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রাম একটি বাণিজ্যিক রাজধানী। এখানে রয়েছে সামদ্রিক বন্দরও। তাই শহরে রুজি রোজগারের জন্য মানুষ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে থাকে। এমনকি এই শহরে ২০/৩০ হাজার হকার চট্টগ্রাম নগরে পথে প্রান্তে ব্যবসা করছে। এদের মধ্যে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে। জেলা প্রশাসন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন যৌথ উদ্যোগে এদেরকেই সরিয়ে নেয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।  মেয়র বলেন, লক্ষ্য অর্জনের যাত্রায় এরই মধ্যে আমরা ২০১৫ সালে নি¤œমধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। এসডিজি এজেন্ডা ২০৩০ এর কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন বাস্তবায়নে এনজিও, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি সেক্টর, প্রচার মাধ্যম এবং সুশীল সমাজের ব্যাপক অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সম্মিলিত প্রচেষ্ঠা নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। প্রসঙ্গে তিনি কর্পোরেশনের গৃহীত কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে বিভিন্ন সংস্থাগুলোর মধ্যে কো-অডিনেশন, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রিতা পরিহার, একই প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে কি- না তা নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা, প্রাইভেট পাবলিক পার্টনারশিপ জোরদার করা হয়েছে। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে প্রায় ৯০টিরও অধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এতে নগরের প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এসডিজির লক্ষ্য পূরণে তিনি নগরবাসীর শিক্ষা অধিকার নিশ্চিতকরণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন তার নিজস্ব দায়িত্বের বাইরে গিয়ে শিক্ষা স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে যাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন। এসব স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থেকে প্রতিমাসে লক্ষ নগরবাসী সেবা গ্রহণ থাকে। সেবা খাত পরিচালনা করতে গিয়ে কর্পোরেশনকে বছরে প্রায় ৪৩ কোটি টাকা ভর্তুকি গুনতে হয়। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের ২০৩০ সালের মধ্যে অতিদারিদ্র নির্মূল করতে হবে। এখন দেশে কোটি যুবক। ২০৪১ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে ২১কোটি। যুবগোষ্ঠীকে প্রশিক্ষিত করার লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে কারিগরি শিক্ষাসহ অনেক কর্মসূচি গ্রহন করেছে। তারই আলোকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কারিগরি শিক্ষা প্রকল্প কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এছাড়াও সিটি কর্পোরেশনের অন্যান্য গৃহীত বাস্তবায়িত কর্মসূচি সমূহ এসডিজির লক্ষ্যমাত্রার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

 

সংবাদদাতা

রফিকুল ইসলাম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন