Press Release 27-03-2018

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম- ২৭ মার্চ ২০১৮খ্রি.

৩৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মরহুম হাবিবুল হকের

শোক সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, নির্ভীক, সৎ ও পরপোকারী ছিলেন কাউন্সিলর হাবিবুল হক। সমাজ হিতোষী হাবিবুল হক সৎ, সাহসী ও কর্মঠ ব্যক্তি হিসেবে সকলের নিকট একজন আদর্শ মানুষ ছিলেন। ব্যবসা সফল, জনবান্ধব  এ নেতার জীবনকে অনুসরণ করলে বর্তমান প্রজন্ম উপকৃত হবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৫ম নির্বাচিত সংসদের ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ড কাউন্সিলর মরহুম হাবিবুল হকের শোক সভায় প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র এ সব কথা বলেন। ২৪ মার্চ ২০১৮ খ্রি. শনিবার, সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর রীমা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত শোক সভায় সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সলিম উল্লাহ বাচ্চু। এতে আলোচনা করেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, নিছার উদ্দিন আহমেদ, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মধ্যে মোঃ গিয়াস উদ্দিন, শৈবাল দাশ সুমন, নাজুমল হক ডিউক, হাসান মুরাদ বিপ্লব, হাজী মো. জয়নাল আবেদীন, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, মো. জহুরুল আলম জসিম, সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু, তারেক সোলেমান সেলিম, মোহাম্মদ জাবেদ, এস এম এরশাদুল্লাহ, মো. আবুল হাসেম, মোহাম্মদ আবদুল কাদের, গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের, মো. সাইফুদ্দিন খালেদ সাইফু, এম. আশরাফুল আলম, মোহাম্মদ ইসমাইল বালী, মো. শফিউল আলম, জেসমিন পারভীন জেসি, আবিদা আজাদ, মনোয়ারা বেগম মনি, মোছাম্মৎ ফারজানা পারভীন, চসিক সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন  প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও উপ সচিব আশেক রসুল চৌধুরী সহ অন্যরা। শোক সভা উপস্থাপনায় ছিলেন চসিক জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম। শোক সভার পূর্বে বিকেল থেকে খতমে কোরআন, দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় জেয়াফত অনুষ্ঠিত হয়।

 

চট্টগ্রাম- ২৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি.

চসিক পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আখতার এর নেতৃত্বে ২৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি.সঙ্গলবার, সকালে চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। অভিযানকালে চকবাজার থানাধীন প্যারেড মাঠের পূর্ব পাশে সিরাজদ্দৌল্লা রোডের উভয় পাশের ফুটপাত ও রাস্তা অবৈধ ভাবে দখলে নিয়ে ইট ও বালি স্তুপ করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করার দায়ে ৫ ট্রাক ইট ও বালি জব্দ করে সিটি কর্পোরেশন ষ্টোরে জমা করা হয়। এই সময় অবৈধভাবে ফুটপাত ও রাস্তার উপর দোকানের পণ্য সামগ্রী রাখার দায়ে আর এস স্টীলকে ৫ হাজার টাকা, ওরিয়েন্ট স্টীল হাউজকে ৫ হাজার টাকা, শাহ আমানত ইন্ডাস্ট্রিজকে ৫ হাজার টাকা, নিউ এশিয়ান সেটাল ইন্ডাস্ট্রিজকে ৫ হাজার টাকা, মেসার্স পিএন্ড স্টীলকে ৫ হাজার টাকা, জোহরা ইন্ডাস্ট্রিজকে ৫ হাজার টাকা, দরবার সেনিটারীকে ৫ হাজার টাকা, কনক্রিট সেটাল ওয়াকর্সকে ২ হাজার টাকা ও মেসার্স হাসান সেনিটারীকে ২ হাজার টাকা সহ সর্বমোট ৩৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 

অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেটদ্বয়কে সহায়তা করেন। 

 

চট্টগ্রাম- ২৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি.

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে জাতীয় গণহত্যা দিবসপালিত

এদেশের কতিপয় রাজনীতিক দল এ দিনটি পালন করছে না-

যা জাতির জন্য দুঃখজনক বিষয়- আ জ ম নাছির উদ্দীন

ইতিহাসের ভয়াল ও বীভৎস কালরাত্রী ২৫ মার্চ। আজ সেই ভয়াল জাতীয় গণহত্যা দিবস। মানব সভ্যতার ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন। ১৯৭১ সনের অগ্নিঝরা এই দিনে বাঙালির জীবনে নেমে আসে নৃশংস ও ও বিভীষিকাময় কালরাত্রী। এ রাতে বর্বর পাকবাহিনী অপারেশন সার্চ লাইটনামে মুক্তি ও স্বাধীনতাকামী বাঙালির উপর হিং¯্র দানবের মত ঝাপিয়ে পড়ে । এ দিনটি স্মরনে ২৫ মার্চ ২০১৮ খ্রি. রাত ৯ থেকে ১ মিনিট (ব্ল্যাক আউট) কর্মসূচি পালন শেষে নগরীর জাকির হোসেন রোডস্থ বধ্য ভূমিতে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন কর্মসূচি পালিত হয়। এছাড়াও  শহীদ বেদীতে সকাল ১০ টায় পুষ্পমাল্য অর্পন এবং দুপুর ১.৩০ টায় নগর ভবনে খতমে কোরআন, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাত এর মধ্য দিয়ে গণহত্যা দিবস পালন করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন। সকাল ১০ টায় বধ্য ভূমিতে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র, কাউন্সিলর ও বিভাগীয় প্রধান সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিয়ে  শহীদ বেদীতের ফুল দিয়ে গণহত্যা দিবসের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।এছাড়াও রাত ৯.০১ মিনিটে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করা হয়।  এ সময় মেয়র ও অন্যরা এক মিনিটি নিরবে দাড়িয়ে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। মোমবাতি প্রজ্জ্বলন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সুধি সমাবেশে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাত্রীতে ঢাকায় পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বর্বরোচিত হামলার এই বিয়োগান্তক ঘটনার নিন্দা জানাবার কোন ভাষা নেই। তিনি বলেন, রাষ্ট্র সরকারী ভাবে এই দিবসটি পালন করলেও এদেশের কতিপয় রাজনীতিক দল এ দিনটি পালন করছে না- যা জাতির জন্য দুঃখজনক । তিনি এ দিবসটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দাবী করেন। এ সময় কাউন্সিলর  হাসান মুরাদ বিপ্লব, জহুরুল আলম জসিম, সফিউল আলম,মিসেস আবিদা আজাদ, মনোয়ারা বেগম মনি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা, সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন,  উপ সচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু, জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম, শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুর রহমান সহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।  

 

চট্টগ্রাম- ২৭ মার্চ ২০১৮ খ্রি রবিবার

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ৮ জন গুনিব্যক্তিকে স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক প্রদান করেছে

৪৮তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নগরীর ৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও গুনী ব্যক্তিকে স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক প্রদান করেছে। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২৬ মার্চ ২০১৮খ্রি. সোমবার, বিকেলে নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে শিক্ষায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী,মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদানের জন্য সাবের আহমেদ আসগারি, সাংবাদিকতায় অঞ্জন কুমার সেন, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আহমদ ইকবাল হায়দার, চিকিৎসায় প্রফেসর এল এ কাদেরী, নারী আন্দোলনে ফাহমিদা আমিন (মরনোত্তর), সমাজ সেবায় বিশিষ্ঠ শিল্পপতি সাইফুল আলম মাসুদ এবং ক্রীড়ায় এডভোকেট শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরী কে স্বাধীনতা স্মারক সম্মাননা পদক তুলে দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। স্বাধীনতা পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ২৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি নাজমুল হক ডিউক। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন   প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সচিব মোহাম্মদ আবুল হোসেন,প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ড. মুস্তাফিজুর রহমান, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, উপসচিব আশেক রসুল চৌধুরী টিপু। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনায় ছিলেন জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবদুর রহিম। পদক প্রাপ্তদের মধ্যে অনুভূতি ব্যক্ত করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী, সাংবাদিক অঞ্জন কুমার সেন,  প্রফেসর এল এ কাদেরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আহমদ ইকবাল হায়দার, ক্রিড়াবিদ এডভোকেট শাহীন আফতাবুর রেজা চৌধুরী এবং সাবের আহমেদ আসগারির পক্ষে তার কন্যা সানজিদা আহমেদ। পদক প্রদান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামবাসী গুনীজনদের উপযুক্ত মূল্যায়ন এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মর্যাদা সমুন্নত রাখতেই চসিক প্রতিবছর স্বাধীনতা পদক প্রদান করে যাচ্ছে।  তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরল অবদানের জন্য এবং ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের কারনে চট্টগ্রাম এর গুরুত্ব নানাদিক থেকে বেশি।  মেয়র বলেন, ১৯৭১ সনে ২৬ মার্চ  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর পক্ষে চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষনা দেন জননেতা এম এ হান্নান। চট্টগ্রাম ব্রিটিশ ও পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলনের তীর্থস্থান এবং গনতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এ প্রসঙ্গে বলেন,  স্বাধীনতার পর ৪৭ বছর একটি দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হয়েছে এসময়ের মধ্যে দেশ আরো সামনে যাওয়ার সুযোগ ছিল।

কিন্তু নানাভাবে অহেতুক বিতর্ক সৃষ্টি, বিভক্তি ও বিভাজন এর মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্থ করা হয়েছে। তিনি জাতীয় স্বার্থে পরচর্চা, পরনিন্দা এবং পরের সমালোচনা পরিহার করে আত্মসমালোচনায় অভ্যস্ত হয়ে দেশকে সঠিক পথে পরিচালনার বিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। উন্নয়ন কর্মকান্ডের নানা প্রসঙ্গ তুলে ধরে  মেয়র বলেন, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে উন্নতি ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে দেশকে মর্যাদা দিয়েছে। তা স্বত্বেও চলমান উন্নয়ন ও অগ্রগতির চাকাকে স্তব্দ করতে ১৯৭১ সনের পরাজিত অপশক্তি অপতৎপরতায় এবং ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, সাম্প্রদায়িক গোষ্টি, পরাজিত অপশক্তির সহযোগিতায় দেশে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী তৎপরতা চালিয়ে বিদ্যমান শান্তি ও স্থিতিশীলতা নসাৎ করার অপপ্রয়াসে লিপ্ত। মহান স্বাধীনতার এ দিনে অপশক্তিকে প্রতিহত করতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি চট্টগ্রামকে নিরাপদ, স্থিতিশীল, ক্লিন, গ্রিন ও স্মার্ট সিটিতে পরিনত করার কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে চট্টগ্রামের গুনী ও বিশিষ্ট জনদের সহযোগিতা কামনা করেন। পরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা, সাধারণ নৃত্য, দেশের গান, উপস্থিত বক্তৃতা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে  পুরস্কার তুলে দেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

 

সংবাদদাতা

মো. আবদুর রহিম

জনসংযোগ কর্মকর্তা

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন